magazine_cover_12_mayl_19.jpg

Tolly News

বিয়ে নিয়ে কীসের ভয় শ্রাবন্তীর?

srabanti-big আরও একবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন শ্রাবন্তী! পয়লা বৈশাখের দিনই বাগদানপর্বটিও সেরে নিয়েছেন তিনি। পাত্র, রোশন সিংহ, ওরফে মন্টি। শ্রাবন্তীর ভগ্নিপতী সুজয়ের মারফত মন্টির সঙ্গে আলাপ হয় শ্রাবন্তীর। মন্টির পরিবার চণ্ডীগড়ের হলেও, তিনি থাকেন পার্কসার্কাস অঞ্চলে। একটি জিমের মালিকানা ছাড়াও, একটি নামী বিমানসংস্থায় কেবিন-ক্রু হিসেবে কর্মরত মন্টি। এর আগে পরিচালক রাজীব বিশ্বাস এবং তারপর মডেল কৃষণ ব্রজের সঙ্গে শ্রাবন্তীর বিয়ে হয়েও, তা ভেঙে যায়। তবে শ্রাবন্তী বরাবরই গুছিয়ে সংসার করতে ভালবাসেন। তাই এবার মন্টির সঙ্গে আলাপ হওয়ার একবছরের মধ্যেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। মন্টির পরিবারের সকলের সঙ্গেও নাকি শ্রাবন্তীর খুব ভাব। মন্টির মাকেও ‘মা’ বলেই সম্বোধন করেন তিনি। তবে একটা প্রশ্ন উঠছে। এর আগে কৃষণের সঙ্গে বিয়ের সময় মিডিয়কে মোটামুটি ভাবে ব্রাত্য রাখলেও (যদিও ‘আনন্দলোক’ ছিল ব্যতিক্রম), বেশ কিছু সহকর্মী সেদিন আমন্ত্রিত ছিলেন। কিন্তু এবার মন্টির সঙ্গে বিয়ের সময় কেন এত রাখঢাক? সূত্রের খবর বলছে, শ্রাবন্তীর মনে নাকি একটি ভয় ঢুকে গিয়েছে। সকলকে জানিয়ে বিয়ে করা মানেই লোকের নজর লেগে যায় এবং সেই বিয়ে টেকে না। তাই এবার নাকি তিনি প্রথম থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, চুপচাপ করে বিয়েটা সেরে ফেলবেন। সেই গোপনীয়তা বজায় রেখে, আনন্দলোক-এর তরফ থেকে যখন তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো হয়, তিনি গোটা বিয়ের বিষয়টাই অস্বীকার করেন! তপসিয়া বাইপাসের ধারে এক হোটেলে বাগদানপর্বটি সারার পর, চণ্ডীগড়ে উড়ে গিয়েছেন তিনি। কাল সকালে ওখানকার এক গুরুদ্ধারে রীতি অনুসারে বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার পর, পরশু (আগামী শনিবার) রিসেপশনের পার্টি। তারপর ২৩ তারিখ কলকাতায় ফিরে হয়তো এখানকার সহকর্মী ও বন্ধুদের জন্য একটি পার্টি থ্রো করবেন। বাগদানপর্বের সময় শ্রাবন্তীর মেকআপ ও হেয়ারের দায়িত্বে ছিলেন তাঁর এক ব্যক্তিগত মেকআপ আর্টিস্ট, যাঁর নাম সম্ভবত সুবীরদা। ব্লাউজ় বানানোর দায়িত্বে ছিলেন অনেকদিন ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরত এক স্টাইলিস্ট। মন্টির শেরওয়ানি বানিয়েছেন অভিষেক রায় (‘বহুরূপী’)। শ্রাবন্তী নিজেই নাকি ডিজ়াইন ও রং পছন্দ করে দিয়েছিলেন। বাগদানপর্বের মেনুতে ছিল কন্টিনেন্টাল ও ভারতীয় খাবার।