magazine_cover_12_may_18_3.jpg

Anandalok Review

ভাল প্রচেষ্টা, কিন্তু…

মাইকেল
michael-still

অভিনয়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, মীর, তনুশ্রী চক্রবর্তী, সায়নী দত্ত, অরুণিমা ঘোষ, কাঞ্চন মল্লিক
পরিচালনা: সত্রাজিৎ সেন
……

এখনকার দিনে যে কোনও ছবির ক্ষেত্রেই পাবলিসিটি খুব জরুরি। এই ফিল্ডে ‘মাইকেল’ লেটার মার্কস নিয়ে পাস করবে। রাস্তায় হোর্ডিংয়ের ছড়াছড়ি থেকে শুরু করে শহরের জনপ্রিয় মিষ্টির দোকানে বিশেষ ‘মাইকেল মণ্ডা’ নামক মিষ্টি বিক্রি, এই ছবির প্রচারে কোনও খামতি ছিল না। ছবির গল্পে একটা ফ্রেশনেসও আছে। সিনেমার মধ্যে সিনেমা আমরা আগেও দেখেছি। কিন্তু ‘মাইকেল’-এ অভিনবত্ব আছে। তবে এতকিছু থেকেও ছবিটা কেমন যেন ছানাকাটা গোছের। বর্তমানের কপি-পেস্টের যুগে এরকম একটি ছবি উপহার দেওয়ার জন্য নবাগত পরিচালক সত্রাজিৎ সেনকে বাহবা দিতেই হয়। কিন্তু উপস্থাপনায় খামতি চোখে পড়ে। ছবিটির কিছু-কিছু অংশ আপনার দেখতে বেশ ভাল লাগবে। কয়েকটি মুহূর্ত বেশ আবেগতাড়িত। কিন্তু গোটা ছবিটি কোথাও যেন খেই হারিয়ে ফেলে। গল্পে মাইকেল সেন খান (মীর) ছবি পরিচালনা করতে চান। তাঁর আলাপ হয় বিগতযুগের এক লেজেন্ডারি অভিনেতা ময়ূরবাহন চট্টোপাধ্যায়ের (সৌমিত্র) সঙ্গে। তিনিই হন মাইকেলের ছবির ইউএসপি, যদিও এই ইউএসপি-র জন্য প্রত্যেক মুহূর্তে বেগ পেতে হয় মাইকেল এবং তাঁর গোটা ইউনিটকে। ময়ূরবাহন মদ্যপান ও নারীসঙ্গ ছাড়া দিনযাপন করতে পারেন না এবং সেটেও তাঁর এই অভ্যেস থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে রাখতে পারেন না। মাইকেল কি আল্টিমেটলি তাঁর ছবি তৈরির স্বপ্নপূরণ বাস্তবায়িত করতে পারবেন? যদি করেও থাকেন তা হলে কি হবে সেই ছবির পরিণতি। ক্লাইম্যাক্সে একটা মন ছুঁয়ে যাওয়া বার্তা আছে যা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির লোকজনদের ভাবাবে। অভিনয়ের ক্ষেত্রে সৌমিত্র ভাল। মীর সাবলীল। অন্যান্য চরিত্রে তনুশ্রী, সায়নী, মন জয় করে নেন। ইন্দ্রজিৎ দে-র মিউজ়িক শুনতে মন্দ লাগে না।

এখন আপনার রিভিউ প্রকাশিত হতে পারে আনন্দলোক-এ। সিনেমা দেখে
চটপট লিখে ফেলুন রিভিউ আর ইমেল করুন

[email protected]