magazine_cover_12_november_18.jpg

Anandalok Review

  • x

    রুম নম্বর ১০৩

    প্রযোজক কৌস্তুভ রায় এবং পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের জুটি বরাবরই বেশ হিট। এর আগে হাস্যরসের মোড়কে তিন-তিনটি জনপ্রিয় ছবি তাঁরা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। তবে ‘রুম নং ১০৩’সেদিক থেকে একেবারেই আলাদা। কারণ এই ছবিতে অনিকেত হাসির মোড়ক ছেড়ে থ্রিলারে হাত পাকিয়েছেন। তবে বলতে বাধা নেই, অনিকেতের প্রচেষ্টা বিফলে যায়নি। চারটি ভিন্ন গল্পকে ‘রাতদিন’ হোটেলের একটি ঘরের সূত্রে যেভাবে বেঁধেছেন, তা বেশ প্রশংসনীয়। এই হোটেলের ম্যানেজার রুদ্রর জবানিতেই চলে ছবির গল্প। সেখানে বিবাহের পরিণতি, কন্ট্র্যাক্ট কিলার, কখনও এক গর্ভবতী কিশোরী, কখনও বা কাস্টিং কাউচে বিশ্বাসী এক পরিচালকের ঘটনা উঠে আসে।

    More
  • x

    পিকু

    কনস্টিপেশন যে বাঙালির ঘরে-ঘরে একটি চিরকালীন সমস্যা, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই সমস্যা নিয়ে যে এত সুন্দর একটা ছবি তৈরি করা যায়, তা বোধহয় কেউ ভাবতেও পারেননি। ভেবেছিলেন একমাত্র সুজিত সরকার। তবে কনস্টিপেশন এই ছবির অন্যতম প্রধান বিষয় হলেও, মূল বিষয় নয়। বরং এটি একটি সূত্র যার মাধ্যমে সুজিত বাঙালির মনের দরজা খুলতে চেয়েছেন।

    More
  • x

    বেলাশেষে

    শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং নন্দিতা রায়কে ধন্যবাদ। ‘বেলাশেষে’র মাধ্যমে ছ’বছরে ছ’টি দুর্দান্ত হিট ছবি দেওয়ার জন্য। এতদিন পরে বাংলা ছবির দর্শক আক্ষরিক অর্থে একটি ‘পারিবারিক’ ছবি উপহার পেলেন। বিশ্বনাথ এবং আরতি মজুমদারের ৫০ বছরের বিবাহবার্ষিকীর আগে ডিভোর্সের আবেদন করেন। আর তাই দিয়েই শুরু হয় ‘বেলাশেষে’র আখ্যান। সত্যিই শিবু-নন্দিতা এক পরিবারের সূত্রে বেঁধেছেন দর্শকদের। একটা ব্যাপার সত্যি, ‘বেলাশেষে’ এখনও পর্যন্ত শিবু-নন্দিতার তৈরি সেরা ছবি।

    More