magazine_cover_12_november_18.jpg

Anandalok Review

  • x

    অটো নং ৯৬৯৬

    শয়নে, স্বপনে, জাগরণে কেলো ওরফে কল্লোল দাসের (অর্জুন) একটাই স্বপ্ন… সে বাংলা সিনেমার নায়ক হবে! তবে বস্তিবাসী অটোচালক কেলোর কাছে চূড়ায় ওঠার স্বপ্নটা নেহাতই বিলাসিতা। এটা সবসময় তাকে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দেয় পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি। তবে ‘স্বপ্নলোক’ ম্যাগাজ়িনের এই একনিষ্ঠ পাঠক একদিন সুপারস্টার ‘জুহি’র (অঙ্কিতা) পাশে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখাটা ছাড়ে না কোনও মতে। এই সংগ্রামে কেলোর পাশে থাকে না কেউ, একমাত্র ওরই বস্তির মেয়ে চুমকি (অমৃতা) ছাড়া।

    More
  • x

    তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস

    ‘তনু ওয়েডস মনু রির্টানস’ দেখতে যাবেন? চলে যান দেরি করবেন না। কারণ এই ছবিটি আপনাকে দু’-দু’জন কঙ্গনা রানাওয়াতকে দেখার সুযোগ করে দেবে। বিশ্বাস করুন, স্রেফ এই একটি কারণই যথেষ্ট ছবিটি দেখতে যাওয়ার জন্য। ২০১১তে যাঁরা ‘তনু ওয়েডস মনু’ দেখেছিলেন, তাঁদের নিশ্চয় মনে আছে, কত ঝামেলার পরই তনু আর মনুর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু তারপর কী হ্যাপিলি এভার আফটার কাটাল তারা? সেই প্রশ্নের উত্তর এই ছবি। আর পাঁচটা দম্পতির মতো তনু (কঙ্গনা) আর মনু (মাধবন) বিয়ের চারবছর আবিষ্কার করে, তারা প্রেম কম ঝগড়া বেশি করছে! ঝগড়ার রেশ এতদূর পৌঁছয় যে, তনু লন্ডন থেকে বাপের বাড়ি কানপুর আর মনু দিল্লি চলে আসে। এরপরই হয় মজা, মনু খুঁজে পায় তনুর মতো দেখতে অ্যাথলিট কুসুমকে। সে ঠিক করে নেয়, কুসুমকেই বিয়ে করবে। খবর পেয়ে তনু আবার নাক গলায় মনুর জীবনে। বাকিটা? না, থাক কিছুটা সাসপেন্স বরং তোলা থাক।

    More
  • x

    ফেকবুক

    গল্পটা ভালই ফেঁদেছিলেন পরিচালক। বিষয়টাও জম্পেশ ভেবেছিলেন। কিন্তু ছবিতে একটা প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। আচ্ছা, আজকালকার দিনেও কি মফসস্লের ছেলেরা এত সরল হয়, যে প্রেমের খাতিরে সাইকেল চালিয়ে সোজা দিল্লি চলে যায়? তাও আবার ফেসবুক প্রেমের জন্য, যেখানে সে নিজেই প্রেমটা শুরু করেছিল মিথ্যের মাধ্যমে। হুতুম (গৌরব) মফস্বলের গরীব ঘরের ছেলে, কাজ পাড়ায়-পাড়ায় কাগজ বিলি। হুতুমের শখ প্রেম করার। তাই বন্ধু রাজর্ষি (তানাজী) ফেসবুকে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়। সেখানে হুতুমের সম্পর্কে নানা মিথ্যে তথ্যও দেয়। হুতুমের সঙ্গে আলাপ হয় দিল্লির পায়েলের (ঋদ্ধিমা)। তারপর শুরু হয় দু’ পক্ষের মিথ্যের জাল বোনা।

    More