magazine_cover_12_november_17.jpg

Anandalok Gossip

সংস্কার গেল কোথায়?

pahlaj-nihalani-bigচারিদিকে হইহই-রইরই রব! একি হল পহলাজ় নিহালানীর! তিনি যখন সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের প্রধানের পদে ছিলেন, তখন সিনেমায় অশালীন কিছু দেখলেই রেগে গিয়ে কাঁচি চালিয়ে দিতেন, এবং ছবিটির ১২টা বাজাতেন। ‘উড়তা পঞ্জাব’ –এ ‘পঞ্জাব’ এবং ‘ড্রাগস’ শব্দগুলিকে তাঁর এতটাই অশালীন লেগেছিল যে প্রায় ৫২টা কাট দিয়েছিলেন ছবিটিকে। ‘হ্যারি মেট সেজল’ বা ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বুরখা’ও তাঁর নজর এড়াতে পারেনি। তাঁর সংস্কারের ঠেলায় চোখে সরষে ফুল দেখতে শুরু করেছিলেন বলিউডের পরিচালকরা। কোন শব্দটি তাঁর কোমল হৃদয়ে আঘাত করবে, সেটা ভেবে-ভেবেই পরিচালকদের রাতের ঘুম উবে গিয়েছিল। বলতে নেই, তিনি পদ ছাড়ার পর অনেকেই গোপনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন। আর তারপরই ঘটল আসল ঘটনা। ভারতীয় সভ্যতা –সংস্কৃতির ধ্বজাধারী পহলাজ কিনা ‘জুলি ২’-এর ডিস্ট্রিবিউশন নিয়ে বসলেন। ইয়ে ছবিটা খারাপ না ভাল না অশালীন সেসব তর্ক তো ছবিটা রিলিজ় হলে বোঝা যাবে, তবে ছবিটির পোস্টারটি কিন্তু মোটেও সতীসাধ্বী গোছের নয়। তাছাড়া ‘জুলি’ ফ্রাঞ্চাইজ়িটি যে ঘরোয়া ছবি বানায়, তা কিন্তু আগের ছবিগুলো দেখলে মোটেও মনে হয় না। কিন্তু পহলাজ আছেন পহলাজেই। তাঁর বক্তব্য, ‘জুলি ২’তে এমন কিছুই নাকি দেখানো হয়নি, যা ভারতীয় সংস্কৃতিকে আঘাত করবে। পরিবারের সঙ্গে বসেই নাকি দেখা যাবে, একটি মেয়ে সিনেমা জগতে টিকে থাকার জন্য কী-কী কমপ্রোমাইজ় করছে? আর কিছুর বলার দরকার আছে কি?