magazine_cover_12_September_19.jpg

Tolly News

পপস্টার মিমি!

ইস্তানবুলের এগজ়টিক লোকেশন কাপাডোকিয়ায় জন্ম হল এক বাঙালি পপ-তারকার! তবে দুনিয়া তাঁকে চিনতে শুরু করবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে, যেদিন ইউটিউবে আছড়ে পড়বে তাঁর প্রথম ‘সিঙ্গল’। তিনি নায়িকা তথা সাংসদ, মিমি চক্রবর্তী!
যদিও ‘মন জানে না’ ছবির ‘দেখলে তোকে বদলায় দিন’ গানটি ‘গায়িকা মিমি’র সঙ্গে দর্শকদের প্রাথমিক পরিচয়টুকু করিয়ে দিয়েছে ইতিমধ্যেই কিন্তু সত্যি বলতে কী, কোনও বাঙালি গায়িকার সিঙ্গলে যে এরকম আন্তর্জাতিক ছোঁয়া থাকতে পারে, তা গানটি না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। নিঃসন্দেহে বলা যায়, এই ‘সিঙ্গল’টির মাধ্যমে নিজের তৃতীয় কেরিয়ার অপশনটিও সেট করে ফেলতে চলেছেন মিমি!

১৭ জন ক্রু-মেম্বর, সাত দিন ধরে কাপাডোকিয়ার প্রবল গরম-চরম ঠান্ডায় শুট করেছে মিমির তিনটি গান। যার প্রথমটি রিলিজ় করবে আর ঠিক ১০ দিন পরে। গতকাল আনন্দলোক-এর ফেসবুক লাইভ আড্ডা সেই কথা প্রথমবার ঘোষণা করার পর মিমি জানান, কী ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে শুটিং পর্ব সেরেছেন তাঁরা। মিমির কথায়, ‘‘ওখানকার ওয়েদার? ও মাই গড! দিনের বেলা তাপমাত্রা হয়তো দেখাচ্ছে ৩৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড কিন্তু আপনি ফিল করবেন ৪৫-৫০ ডিগ্রির মতো, এতটাই চড়চড়ে রোদ ওখানে! আবার সন্ধে হতে না হতেই টেম্পারেচর নেমে যেত ৪-৫ ডিগ্রির নীচে। সঙ্গে প্রবল হাওয়া! তবে ওখানে সূর্য অস্ত যেত রাত ন’টায়।’’ তারপরেই যোগ করলেন, ‘‘সূর্যের তাপে হাতের চামড়া পুড়ে গিয়ে সাপের খোলসের মতো উঠতে শুরু করেছিল!’’ তবে এসব কষ্টের কথা এখন আর কিছুই মনে করতে চান না মিমি। ফাইনাল এডিট হওয়ার পর (তখনও কালার কারেকশন হয়নি) গানটি যখন আনন্দলোক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে মোবাইল স্ক্রিনে দেখলেন, তখন তাঁর চোখ-মুখের দীপ্তিই বলে দিচ্ছিল, ‘ড্রিম প্রোজেক্ট’-এর ফাইনাল ইগজ়িকিউশন পর্বে এসে ঠিক কতটা তৃপ্ত তিনি। প্রসঙ্গত, মিমির এই ‘ড্রিম প্রোজেক্ট’-এ সিনেমাটোগ্রাফির দ্বায়িত্বে ছিলেন শুভঙ্কর ভড়, কোরিয়োগ্রাফ করেছেন বাবা যাদব এবং মিউজ়িক কম্পোজ়িশনের দ্বায়িত্বে ছিলেন ডাব্বু। তবে পুরো প্রজেক্টটিই কনসেপচুয়ালাইজ় করেছেন মিমি স্বয়ং! তাহলে কি খোলা থাকল তাঁর চতুর্থ কেরিয়ার অপশনও?
mimi, pop song.