প্রিয়ঙ্কা দ্বিচারিতা করছে: রাহুল"/>
magazine_cover_12_july_18.jpg

Tolly Interview

প্রিয়ঙ্কা দ্বিচারিতা করছে: রাহুল

rahul-big
বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় প্রিয়ঙ্কার তোলা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবার মুখ খুললেন রাহুল

 

প্রিয়ঙ্কা আপনার বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। আপনার বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, খোরপোশ এবং বিবাহবিচ্ছেদ করতে বাধ্য হয়ে। ফলে আপনার বিরুদ্ধে যে যে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর উত্তর খুব জরুরি হয়ে প়ড়েছে।
বলুন…

২০১৬ সালে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর আপনাদের মিউচুয়াল ডিভোর্স হওয়ার কথা ছিল। আপনারা ভাল বন্ধুও ছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে আপনি আর প্রিয়ঙ্কার কোনও দায়িত্ব নেননি…
২০১৬ সালের জুলাইতে প্রিয়ঙ্কা যখন আলাদা হয়, তখন প্রিয়ঙ্কার কাজের সংখ্যাটা ঠিক কত ছিল? খুব একটা কাজ কি ছিল ওর হাতে সেই সময় যে, কামালগাজিতে একটা থ্রি বিএইচকে ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট করা সম্ভব? ওর পক্ষে কোনও টাকা দেওয়াই সম্ভব ছিল না। এই যে ফ্ল্যাটে নিজস্ব ছাদ, বিশাল এলইডি টিভি, ফোর ডোর ফ্রিজ, দুটো পোষা কুকুর… এগুলো প্রিয়ঙ্কা রাখতে পেরেছিল আমি ছিলাম বলে। আমি আক্ষরিক অর্থে নিঃস্ব হয়ে এগুলো ওকে করে দিয়েছি। পুরো টাকাটা আমার ছিল। তারপর সহজের বেবি ফুড, জামাকাপড় থেকে শুরু করে যাবতীয় খরচ আমি দিয়েছি। এমনকী, মাসে-মাসে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আমি প্রিয়ঙ্কার হাতে দিয়েছি… ক্যাশ। আমার ভুলটা হল, আমি তখন কোনও রসিদ কেটে রাখিনি। নিজের প্রাক্তন স্ত্রী, যে কিনা আমার ভাল বন্ধু ছিল, তাকে টাকা দিয়ে রসিদ কেটে রাখতে হবে, এতটা নীচ চিন্তা আমার মাথায় আসেনি। ফলে কোনও প্রমাণ নেই। কিন্তু আমি আমার দায়িত্ব সম্পর্কে শুরু থেকেই যথেষ্ট সচেতন ছিলাম।

আপনার বিরুদ্ধে এই অভিযোগও উঠেছে, আপনি প্রিয়ঙ্কাকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করতেন! এমনকী, নিজের হিসেবমতো প্রিয়ঙ্কার কেরিয়ারকে চালানোর চেষ্টা করতেন…
আচ্ছা। আমাদের বিয়ে হয়েছে ২০১০-এ। আমরা একসঙ্গে থাকতে শুরু করি ২০০৮ থেকে। লিভ ইন মানুষ কেন করে? ও তো আমার সঙ্গে থাকার পরই আমাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

rahul-big2

বিয়ের পর তো অনেক মানুষ পালটে যান…
সেপারেশনের পরও কিন্তু আমরা বেস্ট অফ ফ্রেন্ডস থেকেছি। শেষ ছ’ মাস বাদ দিলে আমরা দু’জন একসঙ্গে পার্টি করতাম। সহজকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছি, ভিক্টোরিয়া গিয়েছি, তিনজনে একসঙ্গে দিওয়ালি, হোলি পালন করেছি… ফেসবুক থেকে টুইটার সর্বত্র তার প্রমাণ আছে। তখন কিছু মনে হয়নি ওর? আর আমরা তো দু’ বছর আলাদা আছি, আমি কি ওর বাড়িতে গিয়ে ওকে মেরে আসতাম? এখন যে-ই টাকার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই আমি খারাপ মানুষ হয়ে গেলাম?

টাকার প্রয়োজন বলতে সেই ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা?
হ্যাঁ, প্রিয়ঙ্কা আমার কাছে এই টাকাটা দাবি করেছে সহজকে ‘বড়’ করার জন্য। আমি জানি না, কোন মধ্যবিত্ত ঘরের বাচ্চার বড় হতে এই পরিমাণ টাকা লাগে! আমি নিজেও এত টাকা একসঙ্গে চোখে দেখিনি, দেওয়া তো দূরের কথা। আর প্রিয়ঙ্কা যে এই নিজের দুঃখী ইমেজ সকলের কাছে তুলে ধরছে.. ওর তো এখন কাজ সবচেয়ে বেশি। জিতের সঙ্গে কাজ করছে। এসভিএফ-এর সঙ্গে কাজ করছে। ওই ফ্ল্যাটটা রেনোভেট করছে, দুটো কুকুর পুষছে… এটা দ্বিচারিতা মনে হচ্ছে না?

সাক্ষাৎকারটি বিশদে পড়তে দেখুন আনন্দলোক-এর ২৭ জুন সংখ্যা…