magazine_cover_12_november_18.jpg

Bolly Interview

বাংলা ছবি করলে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড চাই

কলকাতার মেয়ে পায়েল ঘোষ বেশ কিছু বছর কাজ করছেন হিন্দি এবং তেলুগু ছবিতে। কিন্তু এখনও তিনি বাংলার দর্শকদের কাছে অচেনা। তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতায় আনন্দলোক

Payal-Ghosh-1

আপনি তো অনেকবছর ধরেই অভিনয় করছেন?
হ্যাঁ, সেই ২০০৯ সাল থেকে। আমি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে তখন মুম্বই গিয়েছিলাম, ছুটিতে নতুন কিছু করব বলে। কিশোর নমিত কপূরের বিখ্যাত অ্যাকটিং স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। আমার প্রথম ছবির অফার আসে ‘প্রাণায়ম’ তেলুগু ছবির জন্য। কিন্তু তখন আমি না বলে দিয়েছিলাম।

সে কী! কেন?
বাড়িতে প্রবল আপত্তি ছিল। পড়াশোনা শেষ হয়নি। আর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে বাড়ির লোকের বিরূপ মনোভাব ছিল। তারপর আমি বিবিসি-এর জন্য একটা পিরিয়ড মুভিতে অভিনয় করেছিলাম।

মানে ‘প্রাণায়ম’-এর আগে?
হ্যাঁ। আসলে দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে তো অনেকরকম কথা কানে আসে। বাড়িতে রাজি করাতে পারছিলাম না। কিন্তু পরিচালক একরকম নাছোড়বান্দা ছিলেন আমাকে কাস্ট করতে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, মা-কে নিয়ে যেতে পারব? পরিচালক এককথায় রাজি হয়ে যান। তারপর ছবিটা হল এবং ভাল চলল। লোকের প্রচুর ভালবাসা পেলাম। অবশেষে বাড়ির লোক মেনে নিল। তারপর ‘ওসরাভেলি’ বলে আরও একটি তেলুগু ছবি করেছি। তারপর ‘পটেল কী পঞ্জাবি শাদি’-তে বলিউডে ডেবিউ করেছি।

বাড়ির লোকের ইচ্ছানুসারে পড়াশোনা শেষ করেছেন?
(হাসতে-হাসতে) না করে উপায় আছে! বাঙালি পরিবারের ব্যাপার তো জানেন। যা-ই করো না কেন, পড়াশোনা করতেই হবে। সিনেমায় অভিনয় করার পরও পলিটিক্যাল সায়েন্সে অনার্স করেছি।

বলিউড আর সাউথ সিনেমার তফাতটা কোথায়?
দেখুন, আমি তো অভিনয় করার আগে সাউথ সিনেমা তেমন দেখিনি। বলিউড সিনেমা দেখেই বড় হয়েছি। বন্ধুবান্ধব সবাই তো ‘পটেল কী পঞ্জাবি শাদি’ দেখে দারুণ খুশি! ঋষি কপূরের মতো লেজেন্ডের সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য আর ক’জনের হয়!

বাংলা ছবির অফার পেয়েছেন??
হ্যাঁ, তবে যেগুলো পেয়েছি, আমার পছন্দ হয়নি। বাংলা ছবি নিয়ে আমার একটা বক্তব্য আছে। যেমন-তেমন ছবি করব না। এমন সিনেমা করব, যা আমাকে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড এনে দেব। জানেনই তো বাঙালির রাষ্ট্রপুরস্কার নিয়ে একটা অবসেশন আছে!