আমি দেখি, রাস্তায় বাচ্চারা সেলফি তুলছে আমার চেয়েও ভাল-ভাল ফোন দিয়ে: পার্নো"/>
magazine_cover_12_november_18.jpg

 

Home tollywood interview template আমি দেখি, রাস্তায় বাচ্চারা সেলফি তুলছে আমার চেয়েও ভাল-ভাল ফোন দিয়ে: পার্নো

আমি দেখি, রাস্তায় বাচ্চারা সেলফি তুলছে আমার চেয়েও ভাল-ভাল ফোন দিয়ে: পার্নো

parno-home
এই বছর অনেকগুলো ছবি রিলিজ় পার্নো মিত্রর। করলেন ডিজিটাল মাধ্যমে তাঁর প্রথম সিনেমাও। সব নিয়ে কথা বললেন তিনি। শুনলেন রূপকিনী সেনগুপ্ত।

 
 

‘চুপকথা’-য় আপনার অভিনীত চরিত্রটা নিয়ে একটু বলুন…
আমার চরিত্রটা একেবারে চরিত্রহীন! চরিত্রটা নিয়ে আমি কিছু বলব না। চাই, সকলে ছবিটা দেখুক।

ডিজিটাল মাধ্যমে এটা তো আপনার প্রথম কাজ। এই প্ল্যাটফর্মটা কেন বাছলেন?
হ্যাঁ, এটা প্রথম। আসলে মিডিয়মটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কাজটা গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারেস্টিং কাজ যেখানে হবে, আমাকে সেখানেই পাবেন।

ওয়েব সিরিজ়ে কাজ করার ইচ্ছে আছে?
এখনও সেটা ভাবিনি। তবে যেটা বললাম, ইন্টারেস্টিং কিছু থাকলে আমি করবই। আসলে ভীষণ বেশি কাজ করতে হবে ওয়েব সিরিজ় করতে গেলে! কাজের দিক দিয়ে দেখতে গেলে খুব টায়ারিং! কারণ খুব কম সময় থাকে, তাই অনেক বেশি ঘণ্টা ধরে শুটিং হয় তো… খুব ভাল কিছু না হলে মনে হয় না আমি সময় দিতে পারব।

ডিজিটাল মাধ্যমটা কি এখনও কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের কাছেই সীমবদ্ধ নয়?
না, কেন? এখন ঘরে-ঘরে স্মার্টফোন… আমি তো দেখি, রাস্তায় লোকে সেলফি তোলে আমার চেয়েও ভাল-ভাল সব ফোন দিয়ে! তাই এটা একেবারেই ভুল ধারণা। সকলের কাছেই ফোন আছে, কারণ ফোন আজকাল এত সস্তা। তা ছাড়া ল্যাপটপ আছে। আজকাল বেশিরভাগ অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদেরই ফোন আছে। তাই আমার মনে হয় সকলেই দেখতে পাবে।

সম্প্রতি বেশ কিছু ছবি করলেন, ‘হ্যাপি পিল’, ‘আহারে মন’, ‘আলিনগরের গোলকধাঁধা’… আপনি এক বছরে বেশি ছবি করেন না টাইপের একটা ধারণা ছিল। সেই দুর্নাম ঘুচলো তাহলে?
হ্যাঁ, এবার ভেঙে দিয়েছি সব! আসলে গত বছর যে ছবিগুলো করেছিলাম, সেগুলো এবছর এসে রিলিজ় করেছে। তাই মনে হচ্ছে অনেকগুলো ছবি করে ফেলেছি। কিন্তু, আমি বছরে তিনটে ছবিই করি।

parno-home2

আগে এত কম ছবি করছিলেন কেন?
না, আগেও বছরে তিনটেই করতাম। আপনারা শুধু ভালগুলো মনে রেখেছেন!

এরপর আপনাকে কোথায় দেখতে পাবে দর্শক?
এরপর বুদ্ধদার ছবিটা রিলিজ় হওয়া বাকি আছে। ব্যস এই! সম্প্রতি আর একটা ছবির কাজ পিছিয়ে গিয়েছে। এবার সেটা কবে হবে, সেটা হয়তো পরেই জানতে পারব।

‘চুপকথা’ তো একটা ভূতের ছবি। আপনি নিজে ভূতে বিশ্বাস করেন?
যেটা দেখি না, সেটায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু আমার মনে হয়, ভাল যদি থাকে পৃথিবীতে, তাহলে খারাপও আছে। কে জানে, স্পিরিটস আছে হয়তো…

বাস্তব জীবনে কোনও ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা আছে?
ছোটবেলায় আমি শুধু গল্প বানিয়ে-বানিয়ে লোকজনকে বলতাম, “আমি একজন মহিলাকে দেখেছি… সে হেঁটে যেতে-যেতে হঠাৎ কাক হয়ে উড়ে চলে গেল!” স্কুলে বলতাম সেসব! তখন আমি ক্লাস ওয়ান বা টু-তে পড়ি। তা ছাড়া, নিজের কোনও অভিজ্ঞতা নেই। তবে ছোটবেলায় আমার পিসি আমাকে প্রচুর ভূতের গল্প শুনিয়েছেন। মানে সত্যি ঘটনা একেবারে! সেসব নাকি ঘটেছে ওঁদের জীবনে! আশা করছি, সেগুলো যদি সত্যি হয়ে থাকে, আমিও কোনওদিন এক্সপিরিয়েন্স করব এরকম কিছু!