magazine_cover_12_decemberr_18.jpg

Tolly Interview

হিরো এবং ফ্যানগার্লের গল্প

jeet-sayantika-big
‘বাঘ বন্দি খেলা’র প্রথম গল্প ‘বাঘ’ কাজ করেছেন জিৎ-সায়ন্তিকা। এই জুটি এর আগেও আমাদের চার-চারটে ছবি উপহার দিয়েছে। । তা জুটির গোপন কথাটা কী? আর জিৎ-ই বা কী সাজেশন দেন সায়ন্তিকাকে? উত্তর খুঁজল, আসিফ সালাম এবং ঋষিতা মুখোপাধ্যায়

 
 

প্রথমে তো ‘বাঘ বন্দি খেলা’র ওয়র্ল্ড টিভি প্রিমিয়ার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বড় পরদায় রিলিজ় হল। আপনারাও নিশ্চয় ওয়র্ল্ড টিভি প্রিমিয়ারের কথাই জানতেন। তাহলে কি জিৎ বা সায়ন্তিকা, দু’জনেই মানেন, পৃথিবীটা এখন অনেক পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে? ছবি হলে রিলিজ় হওয়ার আগে টিভি প্রিমিয়ার হবে…

জিৎ: না আমি মোটেই তা বিশ্বাস করি না। এটা একটা এক্সপেরিমেন্টের জন্য ভাবা হয়েছিল। এটা আরও একটা পথ হতে পারে, কিন্ত এটাই পথ নয়।
সায়ন্তিকাও জিতের কথায় মাথা নাড়লেন।

 

আচ্ছা ‘বাঘ বন্দি খেলা’ তিনটে গল্প নিয়ে তৈরি। তিনটেই আলাদা গল্প। কিন্তু আপনাদের মতে কোন গল্পটা এগিয়ে আছে?

সায়ন্তিকা: ছবিটা রিলিজ়ের আগে আমাদের তো অন্য ছবিগুলো দেখা হয়নি। তাই এখনও সেটা নিয়ে বলছি না। তবে ‘বাঘ’-এর প্রতি আলাদা ভালবাসা থাকাটাই স্বাভাবিক নয় কি? আমার মনে হয়, দর্শকের তিনটে গল্পই ভাল লাগবে। তিনটে একেবারে তিনরকম স্বাদের। ভাল-মন্দের বিচার দর্শকের হাতেই থাক না হয়।

জিৎ: না-না বায়াস্ড হওয়ার কোনও মানে হয় না। সবক’টাই ভাল।

 

‘বাঘ’-এর ভূমিকায় জিতের অ্যাকশন তাক লাগিয়ে দেয়। কিন্তু জিৎ আপনার ‘বাঘিনী’ ওরফে সায়ন্তিকাও অসম্ভব ফিট। তাঁকে অ্যাকশন করতে দেখা গেল না কেন?

জিৎ: আরে, আমি অ্যাকশন ডিরেক্টর অ্যালান আমিন নই, আমি জিৎ। আমি জানি ও অ্যাডভেঞ্চারাস। যদি কোনওদিন সুযোগ পাই, নিশ্চয় ওকে দিয়ে স্টান্ট করাব।

সায়ন্তিকা: এবার আমি উত্তর দিই, বাঘিনী কখনও কিন্তু নিজের শক্তি বাঘকে দেখায় না। সে বাঘের অ্যাকশন দেখে, করে না। তবে ‘পার্ট টু’ যদি হয়, সেখানে বাঘিনী কিছু করতে পারে।

জিৎ: ও তো মুখ দিয়েই কন্ট্রোল করে রেখেছে, অ্যাকশনের কী দরকার!

 

সে তো গেল ছবির ব্যাপার। সেটে জিতের কাছ থেকে বকুনি খেয়েছেন?

জিৎ: আমি ওকে বকুনি দেব কেন!

সায়ন্তিকা: উল্টে পাম্প্যার করে আমাকে। সত্যি বলতে কী, আমি জিতের ফ্যানগার্ল। আমার সঙ্গে ছবি করুক বা ছাই না করুক, ওঁর ছবি পরদায় এলেই আমি হাঁ করে জিতকে দেখি। এখনও সেই মুগ্ধতা কাটেনি।

 

জিতের সঙ্গে কোন নায়িকাকে দেখতে সবচেয়ে ভাল লাগে?

সায়ন্তিকা: কাউকে না, আমাকে। আর হ্যাঁ মোহনাকে।

 

তা জিৎ বিয়ে সম্পর্কে কোনও সাজেশন দিলেন সায়ন্তিকাকে?

সায়ন্তিকা: সত্যি! জিতদা কোনও সাজেশন দাওনি তো।

জিৎ: আগে ও ঠিক করুক বিয়ে করবে। ঠিক ছেলে খুঁজে পাক। তারপর দেখা যাবে।

 

আপনাদের জুটির চারটে ছবি হয়ে গেল। এই জুটির সাফল্যটা কোথায়?

জিৎ: আমাদের প্রথম ছবি ‘আওয়ারা’ থেকেই দর্শক কানেকশনটা ধরতে পেরেছিল। এখন প্রত্যাশাটা অনেক বেড়ে গিয়েছে। তাই বেছে-বেছে ছবি করতে হবে আমাদের। অ্যাকশন ফিল্ম করার ইচ্ছে আমার।

 

আচ্ছা বিগত কয়েক মাস ধরে হার্ডকোর কমার্শিয়াল ছবি কি একটু দুর্বল হয়ে পড়েছে? মানে সেভাবে সাফল্যের মুখ দেখছে না?

জিৎ: সেটা যদি হয়, তাহলে খুবই খারাপ ব্যাপার। সাম্প্রতিককালে হয়তো কিছু ছবি চলেনি, কিন্তু এত নেতিবাচক ভাবনারও কিছু নেই। হিন্দি ছবির ক্ষেত্রে কিন্তু সিঙ্গল প্লেক্স হলের কালেকশন বেড়েছে। আর হার্ডকোর কমার্শিয়াল ছবির জন্য সিঙ্গল প্লেক্সই আসল। এখন বাংলায় কী হচ্ছে, সেটা আমি ঠিক বলতে পারব না। তবে যে কোনও ইন্ডাস্ট্রির অক্সিজেন কিন্তু কমার্শিয়াল ছবিই। তাই আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে ওই ছবিগুলোর জন্য।