রুক্মিণীকে না নিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছি বলছেন! দেব"/>
magazine_cover_12_september_18.jpg

Tolly Interview

রুক্মিণীকে না নিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছি বলছেন! দেব

dev-big0
‘হইচই আনলিমিটেড’-এর মিউজ়িক লঞ্চে এসে ছবি তো বটেই আরও কয়েকটি বিষয় নিয়েও মুখ খুললেন দেব। শুনলেন ঋষিতা মুখোপাধ্যায়

 

‘হইচই’ নামটা কিন্তু সিগনিফিকেন্ট… এক তো এই নামটা নিয়ে মহেন্দ্র সোনির সঙ্গে আপনার একটা মিষ্টি বাক্যালাপ হয়ে গিয়েছে টুইটারে (যেখানে মহেন্দ্র সোনি ভেবেছিলেন (মজা করেই বটে) দেব হইচই টিভির প্রোমোশন করছেন। দেবও মিষ্টি করে উত্তর দিয়েছেন, ‘হইচই আনলিমিটেড’-এর মাধ্যমে সেটা করে দেবেন)। আর দ্বিতীয় এই ছবিতে রুক্মিণী মৈত্র নেই?

মানে, রুক্মিণীকে না নিয়ে ‘হইচই’ ফেলে দিয়েছি বলতে চাইছেন (হাসি)। আসলে ছবি করার সময়ই আমার মনে হল, এই নামটা ভীষণভাবে সুটেবল। আমরা উজ়বেকিস্তানে মজা করতে যাচ্ছি, পুরো ছবিটাই মজার, সেখানে আমার ফুর্তি বা হুল্লোড় শব্দটা পছন্দ হয়নি। তখন ভাবলাম, হইচই রাখি। আমি সবার আগে মণিদাকে ফোন করে বললাম, ‘আমার হইচই’ নামটা পছন্দ। সিনেমার জন্য নিচ্ছি।’ দেখুন কাউকে ছোট করা বা আঘাত দেওয়া আমার উদ্দেশ্য নয়। আমার সিনেমার জন্য যে নামটা যায়, সেটাই ব্যবহার করেছি। আপনি তো গান দেখলেন, ট্রেলার দেখলেন, আপনার মনে হচ্ছে না, নামটা ভাল যাচ্ছে?

 

‘চ্যাম্প’, ‘ককপিট’, তারপর ‘কবীর’…পরপর সিরিয়াস ছবি। অনেকদিন বাদে আবার সেই পুরনো দেবকে ‘হইচই আনলিমিটেড’ খুঁজে পাওয়া গেল। আপনার নিজেরও কোথাও গিয়ে আরাম লেগেছে কি?

হ্যাঁ। আমাদের বাংলা সিনেমাকে দেখুন, গত এক-দেড় বছর ধরে সব সিরিয়াস ছবি তৈরি হচ্ছে। কী কঠিন-কঠিন বিষয়! আগের পুজো, এই পুজোতে সব সিরিয়াস ছবি রিলিজ় করছে। বাঙালি হাসতে ভুলে যাচ্ছে। বাস্তব জীবনেও সমস্যার শেষ নেই। খবরের কাগজ খুললে সেটা আরও ভাল বোঝা যায়। এই পরিস্থিতি আমি মানুষকে আনন্দ দিতে চাই। এই পুজোয় ‘হইচই আনলিমিটেড’ মানুষকে হাসাবে। আমি এর আগে তিনটে তিনরকমের ছবি করেছি। সেগুলো কারও বেশি ভাল লেগেছে, কারও কম, কিন্তু খারাপ লাগেনি। ‘হইচই…’ সেই ভাল লাগা আরও একটু বাড়িয়ে দেবে। আমি কিন্তু কমার্শিয়াল ছবি করতে চাইনি। আমি ভাল হাসির ছবি করতে চেয়েছি। তাই কাস্টিংও অন্যরকম। তিনজন ভিন্ন বয়সের মানুষকে ধরতে চেয়েছি।

 

আপনার সব ছবিতেই একটা বিশেষত্ব থাকে। নতুন কিছু একটা হয়। এই ছবির বিশেষত্বটা কী?

মানুষ হাসতে-হাসতে পাগল হয়ে যাবে। এই ফরম্যাটের ছবি গত দশ বছরে বাংলায় হয়নি। আগে হত। এখন হারিয়ে গিয়েছে। ‘হইচই…’এর মাধ্যমে সেটা ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করেছি।

 

প্রযোজক দেব কিন্তু বেশ কঠোর। আর যাই হোক নেপোটিজ়মের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে আনা যাবে না। যে নিন্দুকরা বলত, দেবের ছবি মানেই রুক্মিণী…

আমার কাছে বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমার যদি মনে হয়, নতুন কাউকে নিতে হবে, আমি তাকেই নেব। আমার মনে হয়েছিল, এই ছবিতে রুক্মিণীকে দরকার নেই। তাই নিইনি। অনেকে অনেক কিছু বলে। আমি কিন্তু জানি আমার ছবিতে কী দরকার। পরে দরকার পড়লে আবার নেব। বিষয়টা আগে দেখতে হবে।

 

আপনাকে আর যাই বলা হোক, একঘেয়ে অভিনেতা বলা যাবে না। বিশেষত শেষ কয়েক বছরে নানা ধরনের চরিত্রে আপনাকে দেখা গিয়েছে। সেটা কী কোথাও গিয়ে স্যাটিসফেকশন দেয়?

না একদমই না। যা করছি বাংলা সিনেমার জন্য করছি, সিনেমার উন্নতি হলেই খুশি।