Category Archives: music news

সিধু-পটা একসঙ্গে?

shidu-pota-big আনন্দলোক-এর হাত ধরেই ‘এক’ হয়ে ছিলেন তাঁরা। সাড়ে ছ’বছর পর একসঙ্গে আনন্দলোক-এর লাইভ প্ল্যাটফর্মে এসে গানে –আড্ডায় মাতিয়ে দিয়েছিলেন প্রায় পঁচাশি হাজার শ্রোতাকে। মানুষের ভালবাসার আবেগে প্লাবিত হয়ে সিধু এবং পটা জানিয়েছিলেন, দু’জনের আলাদা আলাদা ব্যান্ড থাকলেও, সঙ্গীতের স্বার্থে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করতে পারেন। কোনও প্রোজেক্ট তাঁদের ভাল লাগলেই হবে। আনন্দলোক সেই আনন্দসফরের সঙ্গী ছিল। সেই লাইভ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আমাদের কাছে বহু অনুরোধ এসেছে। যাতে সিধু-পটা একসঙ্গে কোনও ব্যান্ডে কাজ করেন। কেন তাঁরা এক হচ্ছেন না, এ প্রশ্নও শুনতে হয়েছে বহুবার। তবে এটা মানতেই হবে, আনন্দলোক সেদিন একটা দরজা খুলে দিয়েছিল। গানে গানে বহু দূরত্ব ঘুচেছিল সেদিন। আর তার রেশ ধরে অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন, অসাধ্যসাধন করা যায় তা হলে। তার পরে সিধু-পটা একসঙ্গে বেশ কিছু কাজ করেছেন। ‘উমা’ ছবিতে তাঁদের গাওয়া ‘এসো বন্ধু’ প্রশংসিত হয়েছে। একসঙ্গে বিভিন্ন চ্যানেলে দেখাও গিয়েছে তাঁদের। সেই ফ্যাক্টরগুলিকেই কি তা হলে অস্বীকার করতে পারলেন না সিধু এবং পটা? কারণ শোনা যাচ্ছে, ‘ক্যাকটাস’ এবং ‘পটা ও মরুদ্যান’ ব্যান্ড দু’টি অক্ষত থাকলেও, সিধু এবং পটা নাকি ঠিক করেছেন, এবার একসঙ্গে ব্যান্ডে কাজ করবেন। হ্যাঁ, সিধু এটা বলেছিলেন বটে যে, তাঁর যে-কোনও প্রোজেক্টের জন্য পটাকে তিনি ডেকে নিতে পারেন। কিন্তু খবর, কোনও প্রোজেক্ট নয়… পুরোদস্তুর ব্যান্ডই নাকি তৈরি করছেন তাঁরা। ‘ক্যাকটাস’, ‘পটা ও মরুদ্যান’-এর কাজ সমানতালে চলতে থাকবে। কিন্তু পাশাপাশি সিধু-পটাও নাকি নিজেদের একটা লাইনআপ তৈরি হবে! এমনটা হলে যে, বাংলার ব্যান্ড সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ নতুন অক্সিজেন পাবেন, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে বিষয়টি পুরোটাই খবর। এই বিষয়ে সিধু বা পটা অফিশিয়ালি কিছুই জানাননি। দেখা যাক… যা-ই হোক, সর্বপ্রথম জানতে পারবেন আনন্দলোক-এই।

মিউজ়িক্যালি লার্জ!

Sourendra-Souymojit ব্রডওয়ে কী— সঙ্গীত, নাটক, মঞ্চসজ্জা, আলো… সবকিছুর সংমিশ্রনে একটা বিরাট বড় কিছু? অথবা এসব নয়, এগুলির চেয়ে আলাদা, একেবারেই একটা অন্য মঞ্চ-শিল্পমাধ্যম… ব্রডওয়ে নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কিন্তু এটুকু ঠিক যে হিউ জ্যাকম্যান থেকে টম হিডলস্টন… ব্রডওয়েতে অভিনয়ের সুযোগ পেলে বর্তে যান তাঁরা। মঞ্চে সিনেমা। না, ভুল… সিনেমার চেয়ে ও বড়। অত ঘাঁটার দরকার নেই। মোট কথা, সেই ব্রডওয়ে মিউজ়িক্যাল ধারণাকে এবার বাংলার মঞ্চে নিয়ে আসছেন কম্পোজ়ার-মিউজ়িশিয়ান জুটি সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিৎ। জনপ্রিয় জুটি প্রতিবারই বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে থাকেন। Sourendra-Souymojit2 গতবছর যুগলে ‘ফ্যান্টম অফ দ্য অপেরা’ দেখে আসেন লন্ডনে। তখন থেকেই মাথায় ঘুরছিল, এটা কলকাতায় করা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক একটা ছোঁয়া দেওয়া যেতে পারে কলকাতার সঙ্গীত-আকাশে। সেসময়ে উইলিয়াম ড্যালরিম্পলের ‘কোহ-ই-নুর’ পড়ছিলেন সৌম্যজিৎ। এই কাহিনিটিই মিউজ়িক্যালে আনার পরিকল্পনা করেন তাঁরা। অবশেষে পরিকল্পনা সফল, এবার বিশ্ব সঙ্গীত দিবস উপলক্ষে ‘কোহিনুর’ মিউজ়িক্যালটি মঞ্চস্থ হবে। এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সৌম্যজিৎ বলছিলেন, ‘‘স্কেলটা আমরা বড়ই রাখতে চাইছিলাম। আর তাই, বেশ গভীরে গিয়ে রিসার্চ করেছি আমরা। আলাউদ্দিন খিলজির পাগড়ি কেমন, সেটা রিসার্চ করতেই সময় লেগেছে এক মাস। ময়ূর সিংহাসন তৈরি করা হচ্ছে বহু পরিশ্রম করে। সেই শাহজাহান করেছিলেন, তারপর বোধহয় আমরাই…’’ মিউজ়িক্যালটিতে হিরে হিসেবে নয়, এক নারী হিসেবে দেখানো হবে কোহিনুরকে। একজন এরিয়াল ডান্সার ওই ভূমিকায় থাকছেন। Sourendra-Souymojit3 শুধু শাহজাহান বা ব্রিটিশ কাল নয়, লোভ-লালসা-ক্ষমতার এক লম্বা ইতিহাস সঙ্গীত ও নাটকের মাধ্যমে দেখাবে এই পারফরম্যান্স। কোরিয়োগ্রাফির মূল দায়িত্বে থাকছেন সুদর্শন চক্রবর্তী, সঙ্গীত করেছেন সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিৎ। ভারতীয় যন্ত্রের সঙ্গেও ‘কলকাতা সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা’ পরিবেশন করছে সঙ্গীত। আছেন থিয়েটারের বহু শিল্পীও। সিনেমার জগতে সদ্য পা রাখা ঋষভ বসু অভিনয় করছেন শাহজাহানের ভূমিকায়। ব্রিটিশ কাউন্সিলের সৌজন্যে, কাজ করছেন ব্রিটিশ অভিনেতারাও। কথকের ভূমিকায় গলা দেবেন হর্ষ নেওটিয়া এবং কোহিনুরের ভয়েসওভার দেবেন স্বয়ং শর্মিলা ঠাকুর! কলকাতায় সফল হলে কোহিনুরকে ভারতের অন্যত্র এবং বিদেশেও নিয়ে যেতে চান সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিৎ। বিশেষত লন্ডনে… প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মুম্বইয়ে ‘মুঘল-এ-আজ়ম’ মিউজ়িক্যাল করা হয়েছে। তা নিয়েও কথা বলছিলেন সৌম্যজিৎ, ‘‘অত টাকা তো আমাদের নেই। ফলে অত বড় করাটা আমাদের পক্ষে মুশকিল। মঞ্চও তেমন নয় যে সব মিউজ়িশিয়ানদে জায়গা দিতে পারব। আন্তরিকতা এবং রিসার্চের মাধ্যমে আমরা সেই অভাব পূরণ করে দিচ্ছি। দেখবেন, ছোট কিছু হবে না!’’

ধৃতিমান গঙ্গোপাধ্যায়

Kohinoor the Musical | Sourendra-Souymojit | World Music Day

‘আক্রান্ত’ পলক

Palak-Muchhal-big সেলেব্রিটি হোন বা সাধারণ মানুষ, এদেশে মেয়েদের নিরাপত্তা বড়ই নড়বড়ে ব্যাপার। বস্তুত, সুস্মিতা সেনের মতো অনেকের মতে, সেলেব্রিটিদের অবস্থাটা হয়তো আরও খারাপ। কতকটা এমনই দেখা গেল জনপ্রিয় গায়িকা পলক মুচ্ছলের ক্ষেত্রে। জনৈক পুরুষের কাছে নানারকম হুমকি পেয়ে অবশেষে পুলিশের দ্বারস্থ হন পলক। প্রথমে নিজেকে ভক্ত বলে পরিচয় দেন ওই ব্যক্তি, দেখা করতে চান। পলক রাজি না হওয়ায়, আস্তে-আস্তে ব্যাপারটা গোলমেলে হতে থাকে। হুমকি দিতে থাকেন ওই ব্যক্তি, গালাগালি দিতে থাকেন। বলেন, পলকের বাড়িতে চলে আসবেন। অবশেষে পুলিশের কাছে অভিযোগ করায়, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ।

Palak Muchhal

কৌশিক ও নগর সংকীর্তনের উপহার, ‘মায়া লাগাইছে’!

Nagar-Sankirtan-big রকসঙ্গীত শিল্পী হিসেবে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাংলা ব্যান্ড ‘পৃথিবী’র কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কৌশিক চক্রবর্তী নিজের আলাদা একটি পরিচয় তৈরি করেছেন। কিন্তু একজন শিল্পীর সার্থকতা তো তাঁর বহুমুখিতায়। সেই জন্যই হয়তো বেশ কিছুদিন ধরে মূলে ফেরার চেষ্টা করছিলেন কৌশিক। মূল মানে, লোকসঙ্গীত। ছোটবেলা থেকে লোকসঙ্গীতের হাত ধরেই গানের তালিম নেওয়া শুরু করেছিলেন তিনি। চন্দ্রশেখর রায়ের কাছে। পরে কলেজে এসে রকসঙ্গীত, বাংলা ব্যান্ডের প্রতি ভালবাসা জন্মায়। যা-ই হোক, ‘পৃথিবী’র কাজ আরও ভাল করে করার জন্য, বলতে গেলে খানিকটা স্বাদবদল করতেই, লোকসঙ্গীতে ফিরেছেন কৌশিক। ‘কৌশিক ও নগরসংকীর্তন’-কে সঙ্গে নিয়ে। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কৌশিক বললেন, ‘‘আসলে লোকসঙ্গীতের প্রতি ভালবাসাটা আমি কোনওদিনই অবহেলা করতে পারিনি। ফলে একদিকে ‘পৃথিবী’র কাজ চললেও, অন্যদিকে আমি আমার ছাত্রদের নিয়ে লোকসঙ্গীত, বাউলগানের সঙ্গে যাপনটা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। পরে মনে হয়, এই গানগুলোকে নিয়েও তো কাজ করা যেতে পারে। তাই ‘কৌশিক ও নগর সংকীর্তন’ কাজ শুরু করে আধুনিক ও লোকআঙ্গিকের গান নিয়ে। আধুনিক গান নিয়ে নগর সংকীর্তনের কাজ নিশ্চয়ই এতদিনে অনেকে শুনেছেন। ‘কৌশিক ও নগরসংকীর্তন’-এর শেষ মিউজ়িক ভিডিয়ো ‘লোকে বলে রে’ তো অনায়াসে ১ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়ে চলে গিয়েছে। এবার সেই সাফল্যের রেশ ধরে আগামী মিউজ়িক ভিডিয়োটিও রিলিজ় করতে চলেছেন কৌশিক। শাহ আবদুল করিমের ‘মায়া লাগাইছে’ গানটিই হবে শ্রোতাদের জন্য তাঁর আগামী উপহার। শাহ আবদুল করিম, হাসন রাজা, লালন ফকিরের গানের বিশেষ ভক্ত কৌশিক বললেন, ‘‘আসলে বাংলাদেশের গানে ভীষণ মেঠো, মিষ্টি একটা ব্যাপার খুঁজে পাই আমি। ফলে এই ধরনের গানগুলো এড়িয়ে যাওয়া কঠিন হয়। সত্যি বলতে কী, লোকসঙ্গীত নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, তাঁদের সিংহভাগই তো বাউলগান নিয়ে মেতে থাকেন, শুরুর দিকে আমারও এরকম একটা প্রবণতা ছিল। পরে মনে হল, পল্লীগীতির দিকে নজর দিলে কেমন হয়? সেই কারণেই শাহ আবদুল করিমের এই গানটি বেছেছি।’’ আগামী ১৪ তারিখ ‘মায়া লাগাইছে’র মিউজ়িক ভিডিয়ো প্রকাশ করবে ‘কৌশিক ও নগরসংকীর্তন’। সঙ্গী হিসেবে থাকছে আনন্দলোকও। কৌশিকের আশা, আগের গানগুলো মানুষ যেভাবে ভালবেসেছেন, এই গানটিকেও তেমনভাবেই বাসবেন। তাতে আর কিছু না হোক, গানের ছাত্র হিসেবে তাঁর এই সত্তাটিও ফুটে ওঠার সুযোগ পাবে।

Koushik Chakraborty | Koushik O Nagar Sankirtan | Prithibi

‘স্বর মৌলি’ সম্মান লতা মঙ্গেশকরকে

Lata-Mangeshkar-big সম্প্রতি লেজেন্ডারি গায়িকা লতা মঙ্গেশকরকে ‘স্বর মৌলি’ পুরস্কারে সম্মানিত করা হল। ‘প্রভু কুঞ্জ’-এর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করেন আধ্যাত্মিক গুরু বিদ্যা নরসিংহ ভারতী স্বামী। সেই সময় তাঁর বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন তাঁর দুই বোন আশা ভোঁসলে ও ঊষা মঙ্গেশকর এবং ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর। এরকম একটি পুরস্কার পেয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন লতা। তাঁর ছয় দশকেরও বেশি সময়ের সঙ্গীত জীবনে তিনি ‘ভারত রত্ন’, ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’ সহ একাধিক সম্মান পেয়েছেন। ‘স্বর মৌলি’ পুরস্কার তাঁর মুকুটে নিঃসন্দেহে আর একটি নতুন পালক যোগ করল।

Lata Mangeshkar | Swara Mauli title | Vidya Narsimha Bharati Swami

সময় দু’মাস!


সম্প্রতি মুক্তি পেল মোনালি ঠাকুরের সিঙ্গল ‘তমন্না’। এটিই মোনালির প্রথম সিঙ্গল। মোনালির ইচ্ছে, এবার থেকে দু’মাসের ব্যবধানে একটি করে সিঙ্গল প্রকাশ করার। এতে তাঁর সৃষ্টিশীলতা বজায় থাকবে আর প্লেব্যাকের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না। পরের গানটিও ইতিমধ্যে রেকর্ড করে ফেলেছেন তিনি, যার বিষয়বস্তু জীবনকে ভালবাসা। গানটি মোনালি নিজেই কম্পোজ় করেছেন। অতএব আশা করা যায়, আগামী দু’মাসের মধ্যেই তাঁর দ্বিতীয় সিঙ্গলটি মুক্তি পাবে।

জাভেদ আলির দ্বিতীয় সিঙ্গল

ASIF-JAVED-big ‘রঙ্গরেজ়িয়া’র সাফল্যের পর গায়ক জাভেদ আলি নিয়ে এলেন তাঁর দ্বিতীয় সিঙ্গল মিউজ়িক ভিডিয়ো। গানটির টাইটেল, ‘তো ইয়ে সুবহা নেহি’। গানটি জাভেদের নিজের ইউটিউব চ্যানেলে লঞ্চ করা হয়। এই গানটি তিনি নিজে কম্পোজ় করেছেন এবং গেয়েছেন। সিঙ্গলটি নিয়ে জাভেদ বেশ উৎসাহিত এবং তাঁর মনে হয় এটি ‘রঙ্গরেজ়িয়া’র মতোই জনপ্রিয়তা পাবে। ‘‘আমি যখনই কিছু কাজ করি, চেষ্টা করি শ্রোতাদের নতুন কিছু উপহার দিতে। এবার সেরকমই কিছু চেষ্টা করেছি,’’ জানান জাভেদ।

SINGER JAVED ALI | JAVED ALI | RANGREZIA

এবার আবিষ্কার পালোমা…

anupam-big মনে করতে পারছেন শেষ কবে কোন বাংলা ছবির গান সরকারিভাবে প্রকাশ পাওয়ার আগেই ‘ভাইরাল’ হয়ে গিয়েছে? পাইরেটেড ভার্শন তো বটেই, অনলাইন লিক হয়ে গিয়েছে তার লিরিক্যাল ভিডিয়ো, লাইভ পারফরম্যান্স? আসলে অনুপম রায়ের ম্যাজিকটা বোধ হয় এখানেই। এমনিতেই তাঁর গান প্রকাশ পেলে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ওঠে। তা সে ‘বসন্ত এসে গেছে’ই হোক বা ‘তুমি যাকে ভালবাসো’। কিন্তু এবার আগের সব রেকর্ড ভাঙলেন অনুপম। ‘লক্ষ্মীটি’ গানটি দিয়ে। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’ ছবিতে অনুপমের কম্পোজ় করা এই গানটি শোনা যাবে। পালোমা মজুমদার নামে এক নবাগতা গায়িকাকে এবার ‘আবিষ্কার’ করেছেন অনুপম এই গানটিতে। আর এই আবিষ্কার লগ্নজিতা বা ইমনের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। কারণ গানটি রিলিজ় হওয়ার পরেই পালোমা রাতারাতি স্টার হয়ে গিয়েছেন। অনুপমের বক্তব্য, ‘‘এর আগে পালোমার গলায় কিছু হিন্দি গান শুনেছিলাম। সেখান থেকে মনে হল, ‘দেখি মেয়েটা বাংলা গান গাইতে পারে কি না।’’’ অনুপমের বিশ্বাসটাকে ১০০ শতাংশ সত্যি করে ছেড়েছেন পালোমা। বেশ সদর্পেই আত্মপ্রকাশ করেছেন বাংলা গানের ইন্ডাস্ট্রিতে। তবে তিনি এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্বই দিচ্ছেন ‘মেন্টর’ অনুপম রায়কে। তাঁকে খুঁজে বের করার জন্য। হাজার হোক, প্রত্যেকবার তো সঙ্গীতের নতুন মুখরা ‘ভাইরাল’ হন অনুপমের হাত ধরেই…

Anupam Roy | Paloma majumder | Drishtikone

প্রতি-উপহার?

Madhura-big সিনেমা এবং সিরিয়ালের জনপ্রিয় গলা মধুরা ভট্টাচার্য রিলিজ় করালেন তাঁর প্রথম স্বাধীন সিঙ্গল। আজই মুক্তি পেল গানটি। সময়টাই এখন সিঙ্গলের। গায়িকা হিসেবে তিনি সিঙ্গল বের করবেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মধুরার কাহিনিটি এখানেই শেষ নয়। খুব মিষ্টি একটা গল্প আছে ‘হাওয়াতে পাঠালাম’ গানটি নিয়ে। আজ থেকে চার বছর আগের কথা। তখন প্রেমটাও গুছিয়ে শুরু করেননি মধুরা এবং তাঁর স্বামী সৌরভ মুখোপাধ্যায়… বস্তুত তখন মধুরা জানতেনই না একদিন এঁদের মধ্যে এমন জমাট একটা সম্পর্ক হবে। সৌরভ আর মধুরা তখন ফেসবুকে হাই-হ্যালো করা শুরু করেছেন মাত্র। সেসময়ে মধুরার জন্মদিনে, একটি লেখায় সুর করে মধুরাকে উপহার দেন সৌরভ। মধুরা বলছিলেন, ‘‘গানটায় একটা অপেক্ষার কথা ছিল, একটা মেলানকলি ছিল। আর ওই অপেক্ষাটাতেই আমি সাড়া দিয়ে ফেললাম।’’ ওখান থেকেই বোধহয় বন্ধনটা নিবিড় হয়েছিল। অনুপ্রেরণার চোটে দু’টি লাইনে সুরও দিয়ে দেন মধুরা। বহুদিন থেকেই গানটিকে প্রকৃত, রেকর্ডেড রূপ দেওয়া চেষ্টা করছিলেন মধুরা। অবশেষে, স্বামীকে ‘প্রতি-উপহার’টি দিয়েই ফেললেন! গানের কথা কবি শ্রীজাতর, অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন দেবাশিস সোম। মজার কথা, সৌরভ-মধুরার জয়েন্ট ইউটিউব চ্যানেল থেকেই গানটি মুক্তি পেল! মধুরার গানটি শুনতে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে: https://youtu.be/Q8R4uc8ioio

ধৃতিমান গঙ্গোপাধ্যায়

Madhuraa Bhattacharya

মোনালির প্রথম

ছবির জন্য, বিজ্ঞাপনের জন্য প্রচুর গান গেয়েছেন তিনি। জাতীয় পুরস্কারও বাগিয়ে ফেলেছেন একটি। এই প্রথম, নিজের জন্য একটি গান গাইলেন মোনালি ঠাকুর। সম্প্রতি মুক্তি পেল তাঁর প্রথম স্বাধীন সিঙ্গল। ‘তমন্না’ নামের ফুট-ট্যাপিং গানটি ইতিমধ্যেই যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সিঙ্গলের সঙ্গের ভিডিয়োটিতেও মোনালিকে দেখা যাচ্ছে মুখ্য চরিত্রে। ‘তমন্না’র কথা লিখেছেন অমিতাভ ভট্টাচার্য। গানটি নিয়ে উত্তেজিত মোনালির বক্তব্য, ‘‘একজন শিল্পী সবসময়ই নিজেকে এক্সপ্রেস করার একটা স্পেস খোঁজে। সিঙ্গলের মতো এত ভাল স্পেস আর পাওয়া দুষ্কর!’’

Monali Thakur | Tamannah