Category Archives: music news

লেডি গাগা’র ছুটি?

lady-gaga-19.9.2017-img1 গান থেকে আপাতত ছুটি নিচ্ছেন লেডি গাগা। তিনি জানিয়েছেন, একটি বিরতি তাঁর কাজের জন্য খুব দরকার হয়ে পড়েছে। তবে তার মানে এই নয় যে, তিনি লম্বা বিরতি নেবেন। কিছুদিন পরই আবার নতুন গান নিয়ে ফিরবেন মনোরঞ্জন করতে। আর গানও তাঁকে এত সহজে ছাড়বে কেন? নতুন সৃষ্টির কাজ চলতেই থাকবে। কিন্তু কেন লেডি গাগা’র এহেন ছুটির প্রয়োজন পড়ল? তাঁর কথায়, ক্রিয়েটিভ লোকদের মাঝেমধ্যে কাজ থেকে বিরতি না নিলে কাজের মান নেমে যায়।

ব্রুস লি-র সঙ্গে রহমান

A.-R.-Rahman-Bruce-Lee-big বহু কীর্তির সাক্ষী তিনি। কিন্তু এবার এ আর রহমানের কাছে চ্যালেঞ্জটা সত্যিই অন্যরকম। কারণ এবার ব্রুস লি-র বায়োপিকে সুরকার হিসেবে কাজ করতে চলেছেন তিনি। শেখর কপূর পরিচালিত এই বায়োপিকে কাজ করানোর জন্য রহমানকে নাকি প্রথমে রাজিই করানো যায়নি। কারণ তাঁর এখন দম ফেলারও ফুরসত নেই। তাই প্রথমে নাকি না-ই করে দিয়েছিলেন রহমান। কিন্তু এমন একটা কাজে রহমানকে হাতছাড়া করতে চাননি শেখর। তাই চেন্নাইতে গিয়ে, রহমানের বাড়িতে বসে, পু্রো ব্রিফটা সেরে তবে রহমানকে রাজি করান। তবে রহমান নাকি রাজি হয়েছেন চ্যালেঞ্জটার কথা ভেবে। রহমানের নাকি নিজের সিগনেচার থেকে একেবারে বেরিয়ে এসে কাজটি করবেন। সেটি কী রকম, অবশ্য শোনার পরেই বোঝা যাবে।

কোন রহস্যে একসঙ্গে?

shankar-ehsaan-loy-big দীর্ঘ ২১ বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করছেন তাঁরা। দিয়েছেন একের পর এক হিট। বলতে গেলে, শঙ্কর-এহসান-লয়ের সঙ্গে ‘হিট’ শব্দটি যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তা সে ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর গানই হোক বা ‘রক অন’। কিন্তু কোন রহস্যে তাঁরা আজও একসঙ্গে? ইগোক্ল্যাশ তো নয়ই, বন্ধুত্বে একফোঁটাও ফাটল ধরেনি তাঁদের। সম্প্রতি এই প্রশ্নটাই করা হয়েছিল এই জনপ্রিয় সুরকারত্রয়ীকে। কেমিস্ট্রির রহস্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। বাকিরা কিছু বলার আগেই মুখ খোলেন এহসান নুরানি বলতে শুরু করেন, অন্যদের কথা তিনি জানেন না। কিন্তু শঙ্কর এবং লয়ের সঙ্গে কাজ করাটা তাঁরক আধ্যাত্মিক উন্নতির মতো লাগে। যে সাধনার জায়গা থেকে সুরগুলো আসে, সেগুলো শেখার তো বটেই, সাধনা করার মতোও। এই শিক্ষার এবং আত্মার বিকাশের জায়গাটা তাঁরা কেউই ছাড়তে চান না। পরস্পরের কাছ থেকেই নাকি সেই রসদটা পান…এখনও। তাই ছেড়ে যাওয়ার কথা মনেও হয় না।

পোকায় খেল সার্টিফিকেট!

Ustad-Bismillah-Khan_big তিনি চলে গিয়েছেন আজ ১১ বছর। রেখে গিয়েছেন সানাইয়ের সুর এবং বহু কীর্তি। কিন্তু উস্তাদ বিসমিল্লাহ খানের কাছ থেকে বিতর্ক যেন দূরে সরছে না। কিছুমাস আগেই খোয়া গিয়েছিল তাঁর সানাই। এবার আরও বিপদ! বারাণসীতে উস্তাদের বাড়ি থেকে তাঁর পদ্মবিভূষণের সার্টিফিকেট আধখাওয়া অবস্থায় মিলেছে। কিছুদিন আগে এই বিখ্যাত সানাইবাদকের বাড়ি পরিষ্কার চলছিল। তখনই একটি ট্রাঙ্ক থেকে বাড়ির লোকেরা সার্টিফিকেটটি এই অবস্থায় পান! পোকায় কেটে ফেলেছে বলে জানা যায়। স্বভাবতই ব্যাপারটি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ফসিলস-এর জয়

fossils-big জিতে গেলেন রূপম ইসলাম। কিছুদিন আগেই বাংলা ব্যান্ড ‘রেভোলিউশন’-এর সদস্য রাজশেখর দেবরায় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে একটি ইংরেজি ব্যান্ডের গান পোস্ট করে লেখেন, এই গানটি থেকেই নাকি রূপম ইসলাম বা বলা ভাল, ফসিলস হারানো পদক গানটি ‘চুরি’ করেছে। পোস্ট করামাত্রই ফসিলস-এর বিরুদ্ধে নানা শ্লেষ ভেসে আসছিল। নানাভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় তাদের। তবে এই প্রসঙ্গে রূপম বলেছিলেন, ‘ফসিলস’ কোনওভাবেই কোনও গান থেকে টোকেনি। যাঁরা এই পোস্ট করেছেন, তাঁদের ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন রূপম। বলেছিলেন, প্রমাণ দিতে। না হলে আইনি পথে যাবেন। এখন সেই আইনি পথেই গেলেন তিনি। ব্যান্ডের এই সদস্যকে আইনি নোটিস পাঠিয়ে ফসিলস-এ আইনজীবী জানিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যে প্রমাণ না দিতে পারলে রূপম কড়া আইনি ব্যবস্থা নেবেন। তবে রূপম যে মিথ্যে বলেননি, সেটা প্রমাণ হয়েই গিয়েছে। দেখা গিয়েছে, যে ইংরেজি ব্যান্ডের গানটি থেকে চুরি কথা বলা হচ্ছে, সেটি ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে ২০১১ সালে। আর রূপমের হারানো পদক? ২০০৩ সালে। কে যে কার কাছ থেকে টুকেছে!

ফিফা অ্যান্থেম


এবারের অনূর্ধ্ব ১৭ ফিফা বিশ্বকাপ যে ভারতে হচ্ছে, একথা তো সকলেই জেনে গিয়েছেন। টিকিটও কাটা হয়ে গিয়েছে নিশ্চয়ই। তবে এবার বিশ্বকাপের উদ্বোধন সংক্রান্ত একটি খবর দিই। এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের অ্যান্থেম গাইছেন শান, সুনিধি চৌহান এবং বাবুল সুপ্রিয়। সম্প্রতি একটি রেকর্ডিং স্টুডিয়োয় সুরকার প্রিতম চক্রবর্তীর সঙ্গে সেলফি তুলে এই খবরটি দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল। ভক্তদের কাছে এই তিন তারকার রিইউনিয়ন নিশ্চয়ই সুখের হবে বলে আশা করা যায়।

ফরাসি রবীন্দ্রসঙ্গীত!

rupankar-bagchi বেশ অভিনব একটি উদ্যোগে সামিল হলেন রূপঙ্কর বাগচী। রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মধুছন্দা দত্তর সঙ্গে মিলে ফরাসি-বাংলা ভাষায় একটি রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ্যালবাম প্রকাশ করছেন। অ্যালবামের নাম ‘রঁদেভূ’। রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে অন্যান্য দেশেও পরীক্ষানিরীক্ষা অব্যাহত। বহু ভাষাতেই অনূদিত হয়েছে সেগুলো। তবে ফরাসি ভাষায় সেই গান শোনাটা নিশ্চয়ই বাংলার শ্রোতাদের কাছে অভিনব একটি ব্যাপার হবে। অ্যালবামটির পরিকল্পনায় আছেন পণ্ডিত তন্ময় বসু। কিছুদিনের মধ্যেই অ্যালবামটি প্রকাশ পাবে।

শঙ্করের অ্যাকাডেমি

sankar-mahadeban2 সঙ্গীত জগতে নিজেদের ছাপ ফেলার স্বপ্ন এদেশের অনেক ছেলেমেয়ের চোখেই… সেই কারণে অনেক ছোট বয়সেই রিয়েলিটি শোয়ে অংশ নেও‌য়ার হিড়িক দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে কেউ হয়তো শ্রেয়া ঘোষাল বা অরিজিৎ সিংহ হন, কিন্তু সিংহভাগের কপালেই লেখা থাকে, হারিয়ে যাওয়ার দুর্ভাগ্য। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সঙ্গীতশিল্পী মুখ খুলেছেন। ঠিক করে তালিম না নিয়ে আসাটাকেও দায়ী করেছেন অনেকে। কিন্তু এবার বোধ হয় সমস্যার সুরাহা করে ফেললেন শঙ্কর মহাদেবন। যদিও প্রোজেক্টটি এখনও ভাবনাচিন্তার স্তরে রয়েছে, তা-ও। আসলে শঙ্কর চাইছেন একটি আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গীত অ্যাকাডেমি বানাতে। সঙ্গীত অ্যাকাডেমি এদেশে প্রচুর আছে। শঙ্কর নিজেও একটি অনলাইন অ্যাকাডেমি চালান। কিন্তু এই আন্তর্জাতিক অ্যাকাডেমি শঙ্করের ড্রিম প্রোজেক্টের একটি। বিশ্বের বড় বড় সঙ্গীত অ্যাকাডেমিগুলিতে টক্কর দেওয়ার মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাইছেন এই শিল্পী। তাতে অত্যাধুনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি দেশি বিদেশি শিল্পীদের মাধ্যমে তালিম দিতেও চাইছেন। যাতে প্রত্যস্ত গ্রাম-শহরতলী থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরাও এখানে শিখতে পারেন। শঙ্করের ইচ্ছে, এই অ্যাকাডেমি বিদেশের ছাত্রছাত্রীদের কাছেই পছন্দের প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠুক। খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করে দিতে চান তিনি।

পুজোর থিমে নতুনত্ব

Abhishek-Basu-img1 অভিষেক বসুর কথা আনন্দলোকের ওয়েবসাইটে আগে পড়েছেন। পুরস্কারজয়ী পারকশনিস্টের একটি সাক্ষাৎকার ছিল সেবার। নতুন খবর, এবছর কলকাতার অনেকগুলি দুর্গাপুজোয় অভিষেকের তৈরি করা থিম মিউজ়িক বাজবে। থিম সঙ্গীতটা পুজোয় এখন নতুন কিছু নয়। থিমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সঙ্গীত বাজানোই বরং চল। কিন্তু এক্ষেত্রে মজাটা অন্য। পাঁচ-সাতটি পুজোর থিম সঙ্গীত তৈরি করেছেন অভিষেক। Abhishek-Basu-img2 থিমগুলি আলাদা-আলাদা। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন মুড তৈরি করা কঠিন নয়? এই নিয়ে অভিষেক বললেন, ‘‘আমি বরাবরই বিভিন্ন মানুষের পছন্দের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ধরনের মিউজ়িক তৈরি করি। আমার কোনও কাজের সঙ্গে কোনও কাজের মিল খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এবার পুজোর ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে।’’ কীরকম? ‘‘ধরুন, একটি পুজোয় থিমের সঙ্গে জলের সম্পর্ক খুব বেশি। সেখানে সন্তুর আর সরোদের ব্যবহারে আন্ডারওয়াটার সাউন্ডস্কেপ তৈরি করার চেষ্টা করেছি। কোথাও ধরুন বাংলার ফোক মিউজ়িক থিম, কিন্তু আমি সেখানে ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল ভায়োলিন এবং চেলো ব্যবহার করে অন্য মাত্রা যোগ করেছি। একটি পুজোয় সেতার, সন্তুরের সঙ্গে পিয়ানোর ব্যবহার করেছি, তো আর এক জায়গায় একেবারেই অন্যরকম অর্থাৎ প্যান ফ্লুট, ফ্ল্যামেঙ্কো গিটার, লাতিন পারকাশনের ব্যবহার করে অন্য এফেক্ট এনেছি। আশা করি এই ধরনের কাজ দর্শনার্থীদের ভাল লাগবে।’’ অভিষেকের জন্য শুভেচ্ছা রইল।

Abhishek Basu | Kolkata puja theme music

বাংলা-হিন্দিতে অ্যালবাম!

jojo এ বছর স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পাচ্ছে জোজোর রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ্যালবাম। প্রায় ১৫ বছর পর আবার রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ্যালবাম করলেন জোজো। এই অ্যালবামে রয়েছে ২০টি রবীন্দ্রসঙ্গীত, বাংলা এবং হিন্দিতে। অ্যালবামের নাম ‘দেশমাতৃকা’। স্বভাবতই এই অ্যালবামটি নিয়ে উৎসাহিত জানিয়েছেন। মোটামুটি পরিচিত গানগুলিকেই বেছেছেন তিনি। তাঁর আশা, অ্যালবামটি শ্রোতাদের মন জয় করবে।