Author Archives: admin

আপোসের রাস্তা রাহুলই রাখেনি: প্রিয়ঙ্কা

Priyanka-big
মিউচুয়াল ডিভোর্স নয়, রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন প্রিয়ঙ্কা সরকার। অভিযোগ প্রচুর। শারীরিক ও মানসিক হেনস্থা, সেপারেশনের দু’বছর পরও ছেলে সহজের ভরণপোষণের দায়িত্ব না নেওয়া… আনন্দলোককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাহুল ইতিমধ্যে নিজের কথা জানিয়েছেন। এবার মুখ খুললেন প্রিয়ঙ্কা।

 
 

রাহুলের দাবি, আপনার কামালগাজির ফ্ল্যাটের অনেকটা টাকাই রাহুল দিয়েছেন। আপনার কী বক্তব্য?
এই কথাটা মোটেই ঠিক নয়। ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট করা হয়েছিল আমার আর রাহুলের জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে। তাতে দু’জনের টাকাই ছিল। তবে এটুকু বলতে পারি, রাহুলের অংশটি একেবারেই নগণ্য! গত দু’বছরে সহজের জন্যও ও কোনও টাকাপয়সা দেয়নি।

আপনি বলেছেন, রাহুল আপনাকে মারধর করতেন বিয়ের পর থেকে। তাহলে আপনি এতদিন ওঁর সঙ্গে থাকলেন কেন?
আশা ছিল বলে! আমি তো মা-বাবা, পরিবার সব ছেড়ে রাহুলের সঙ্গে সংসার পেতেছিলাম। সেটা সবাই জানেন। ভালবাসতাম বলেই এত কিছু করেছিলাম। যে সম্পর্কটার জন্য বাকি সব ছেড়েছিলাম, তা এত সহজে ছেড়ে দেব? অবশ্যই না। তাই এতগুলো বছর আশা করে গিয়েছি রাহুল বদলে যাবে।

রাহুলের প্রশ্ন, এক কোটি পঁচিশ লাখ টাকা সহজকে বড় করতে কেন লাগবে, সেব্যাপারেও তিনি সন্দিহান…
সহজের পিছনে মাসে কত টাকা খরচা হয়, সেব্যাপারে আমি রাহুলের সঙ্গে অনেকবার কথা বলার চেষ্টা করেছি। ও বারবার এড়িয়ে গিয়েছে। আর সহজকে মানুষ করতে কত টাকা লাগতে পারে, সেব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাই না। সেটা উকিল ঠিক করবেন। আমিও ব্যাপারটা আইনিভাবে হ্যান্ডল করতে চাই।

আপোসের তাহলে কোনও সম্ভাবনা নেই?
আমি তো দু’বছর অপেক্ষা করেছি, বারবার বসতে চেয়েছি একটা সেটলমেন্টে আসার জন্য। রাহুল সময় দেয়নি। কিন্তু আমার ছেলে সহজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি কোনও কম্প্রোমাইজ় করব না। আর রাহুল সহজকেও মানসিকভাবে আমার বিরুদ্ধে উসকেছে। তাতে সহজ খুব কষ্টও পেয়েছে। আমি সহজকে নিয়ে রিস্ক নিতে পারি না। আপোস করাটা আমার কাছে আর কোনও অপশন নয়। বরং বলা ভাল, রাহুলই আপোস করার রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে।

প্রিয়ঙ্কা দ্বিচারিতা করছে: রাহুল

rahul-big
বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় প্রিয়ঙ্কার তোলা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবার মুখ খুললেন রাহুল

 

প্রিয়ঙ্কা আপনার বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। আপনার বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, খোরপোশ এবং বিবাহবিচ্ছেদ করতে বাধ্য হয়ে। ফলে আপনার বিরুদ্ধে যে যে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর উত্তর খুব জরুরি হয়ে প়ড়েছে।
বলুন…

২০১৬ সালে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর আপনাদের মিউচুয়াল ডিভোর্স হওয়ার কথা ছিল। আপনারা ভাল বন্ধুও ছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে আপনি আর প্রিয়ঙ্কার কোনও দায়িত্ব নেননি…
২০১৬ সালের জুলাইতে প্রিয়ঙ্কা যখন আলাদা হয়, তখন প্রিয়ঙ্কার কাজের সংখ্যাটা ঠিক কত ছিল? খুব একটা কাজ কি ছিল ওর হাতে সেই সময় যে, কামালগাজিতে একটা থ্রি বিএইচকে ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট করা সম্ভব? ওর পক্ষে কোনও টাকা দেওয়াই সম্ভব ছিল না। এই যে ফ্ল্যাটে নিজস্ব ছাদ, বিশাল এলইডি টিভি, ফোর ডোর ফ্রিজ, দুটো পোষা কুকুর… এগুলো প্রিয়ঙ্কা রাখতে পেরেছিল আমি ছিলাম বলে। আমি আক্ষরিক অর্থে নিঃস্ব হয়ে এগুলো ওকে করে দিয়েছি। পুরো টাকাটা আমার ছিল। তারপর সহজের বেবি ফুড, জামাকাপড় থেকে শুরু করে যাবতীয় খরচ আমি দিয়েছি। এমনকী, মাসে-মাসে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আমি প্রিয়ঙ্কার হাতে দিয়েছি… ক্যাশ। আমার ভুলটা হল, আমি তখন কোনও রসিদ কেটে রাখিনি। নিজের প্রাক্তন স্ত্রী, যে কিনা আমার ভাল বন্ধু ছিল, তাকে টাকা দিয়ে রসিদ কেটে রাখতে হবে, এতটা নীচ চিন্তা আমার মাথায় আসেনি। ফলে কোনও প্রমাণ নেই। কিন্তু আমি আমার দায়িত্ব সম্পর্কে শুরু থেকেই যথেষ্ট সচেতন ছিলাম।

আপনার বিরুদ্ধে এই অভিযোগও উঠেছে, আপনি প্রিয়ঙ্কাকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করতেন! এমনকী, নিজের হিসেবমতো প্রিয়ঙ্কার কেরিয়ারকে চালানোর চেষ্টা করতেন…
আচ্ছা। আমাদের বিয়ে হয়েছে ২০১০-এ। আমরা একসঙ্গে থাকতে শুরু করি ২০০৮ থেকে। লিভ ইন মানুষ কেন করে? ও তো আমার সঙ্গে থাকার পরই আমাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

rahul-big2

বিয়ের পর তো অনেক মানুষ পালটে যান…
সেপারেশনের পরও কিন্তু আমরা বেস্ট অফ ফ্রেন্ডস থেকেছি। শেষ ছ’ মাস বাদ দিলে আমরা দু’জন একসঙ্গে পার্টি করতাম। সহজকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছি, ভিক্টোরিয়া গিয়েছি, তিনজনে একসঙ্গে দিওয়ালি, হোলি পালন করেছি… ফেসবুক থেকে টুইটার সর্বত্র তার প্রমাণ আছে। তখন কিছু মনে হয়নি ওর? আর আমরা তো দু’ বছর আলাদা আছি, আমি কি ওর বাড়িতে গিয়ে ওকে মেরে আসতাম? এখন যে-ই টাকার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই আমি খারাপ মানুষ হয়ে গেলাম?

টাকার প্রয়োজন বলতে সেই ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা?
হ্যাঁ, প্রিয়ঙ্কা আমার কাছে এই টাকাটা দাবি করেছে সহজকে ‘বড়’ করার জন্য। আমি জানি না, কোন মধ্যবিত্ত ঘরের বাচ্চার বড় হতে এই পরিমাণ টাকা লাগে! আমি নিজেও এত টাকা একসঙ্গে চোখে দেখিনি, দেওয়া তো দূরের কথা। আর প্রিয়ঙ্কা যে এই নিজের দুঃখী ইমেজ সকলের কাছে তুলে ধরছে.. ওর তো এখন কাজ সবচেয়ে বেশি। জিতের সঙ্গে কাজ করছে। এসভিএফ-এর সঙ্গে কাজ করছে। ওই ফ্ল্যাটটা রেনোভেট করছে, দুটো কুকুর পুষছে… এটা দ্বিচারিতা মনে হচ্ছে না?

সাক্ষাৎকারটি বিশদে পড়তে দেখুন আনন্দলোক-এর ২৭ জুন সংখ্যা…

মামলার পথে প্রিয়ঙ্কা!

রাহুল বললেন, ‘আমার ছেলেকে বড় করতে চাওয়া হয়েছে এক কোটি ২৫ লক্ষ টাকা! আর কী বলব!’

rahul-priyanka-big

রাহুল-প্রিয়ঙ্কার বিচ্ছেদ নিয়ে ঝামেলা যেন কিছুতেই মিটতে চাইছে না! রাহুলের কাছ থেকে ছেলে সহজের ভরণ-পোষণের অর্থ চেয়ে এ মাসের ১৬ তারিখ আদালতে মামলা করেন প্রিয়ঙ্কা সরকার। তাঁদের সেপারেশন চলছে ২০১৬ সালের জুলাই-অগস্ট মাস থেকেই। একসময় ঠিক হয়েছিল মিউচুয়াল ডির্ভোস হবে রাহুল-প্রিয়ঙ্কার। কিন্তু তা আর হল না। আপাতত কনটেসটেড ডিভোর্সের পথেই এগোচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা। সঙ্গে জুড়েছেন বিশ্বাসভঙ্গ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং খোরপোষের মামলাও। আসলে ঝামেলা শুরু হয় যখন প্রিয়ঙ্কা তাঁর ছেলে সহজের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ফি মাসে কিছু অর্থ দাবী করেন রাহুলের কাছে। শোনা যায়, রাহুল নাকি সেই প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়ে বলেন, নিয়মিত টাকা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, মাঝেমধ্যে কিছু কিছু টাকা দিতে পারেন তিনি। এবছরের শুরুর দিকে ছেলে সহজকে বড় স্কুলে ভর্তি করার জন্য উদ্যোগ নেন প্রিয়ঙ্কা। বলা বাহুল্য, বড় স্কুলে ভর্তির প্রাথমিক খরচও বেশ বড়সড়ই। সেই সূত্রেই রাহুলের কাছে সহজের ‘অ্যাডমিশন ফিজ়’ বাবদ কিছু টাকা দাবী করেন প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু রাহুল নাকি এক্ষেত্রেও অর্থ সাহায্যের ব্যাপারটি এড়িয়েই যান। ফলস্বরূপ, সহজকে নাকি এবছর থেকে যেতে হয় প্লে স্কুলেই! সহজের জন্য খরচের ‘বহর’ শুনে রাহুল নাকি বলেছেন, ‘সহজকে তাঁর লাগবে না!’ যদিও রাহুলকে ফোন করায় তিনি জানালেন, ‘‘প্রথমত নিজের এক্স ওয়াইফ ও সন্তানের জন্য টাকা দিয়ে তো কেউ রসিদ কাটিয়ে রাখে না! আমিও তা করিনি। আর দ্বিতীয়ত, আমাদের মতো পরিবারের কোনও বাচ্চাকে বড় করতে যদি কেউ এক কোটি ২৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন, তা হলে আমার আর কী-ই বলার থাকতে পারে! তবে এটুকু জানিয়ে রাখি, প্রিয়ঙ্কা এখন যে তিন কামরার ফ্ল্যাটটিতে থাকেন, তার অনেকটা টাকাই কিন্তু আমার দেওয়া।’’

দেখা যাক, কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়…

RAHUL | PRIYANKA | DIVORCE | SON.

tolly-gallery-20.6.2018-home

home-page-tolly-gallery

‘ভাইজান এলো রে’র প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন অনেকে। সেই অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্ত। ফোটো: প্রবীর মিত্র

salman-khan-small

এখনও বিপদে সলমন

গ্যাংস্টার লরেন্স বিশনোই যে সলমন খানের প্রাণের পিছনে পড়েছেন, তা তো আগেই বলেছিলাম। পুলিশ যে সম্পত নেহরা নামক একজন সুপারি কিলারকে ধরেছে, সে খবরও দিয়েছিলাম আমরা।

এখনও বিপদে সলমন

salman-khan-big গ্যাংস্টার লরেন্স বিশনোই যে সলমন খানের প্রাণের পিছনে পড়েছেন, তা তো আগেই বলেছিলাম। পুলিশ যে সম্পত নেহরা নামক একজন সুপারি কিলারকে ধরেছে, সে খবরও দিয়েছিলাম আমরা। পুলিশকে সম্পতের বয়ান অনুযায়ী, বিপদ কিন্তু আরও আছে। আরও তিনজন শার্পশুটার নাকি বাজারে ঘুরছে! তাদের কাছেও সলমনের বাড়ির প্ল্যান, তাঁর গতিবিধি… সবকিছু আছে। তক্কে-তক্কে আছে তারা। পুলিশের কাছে এই তিন শার্পশুটারের নাম ছাড়া আর কোনও তথ্য নেই। ফলে, ভাইজান সাবধান! বাস্তবে তো আর তাঁর গায়ে গুলি লেগে ছিটকে যাবে না!

Salman Khan | Salman Khan murder

সিধু-পটা একসঙ্গে?

shidu-pota-big আনন্দলোক-এর হাত ধরেই ‘এক’ হয়ে ছিলেন তাঁরা। সাড়ে ছ’বছর পর একসঙ্গে আনন্দলোক-এর লাইভ প্ল্যাটফর্মে এসে গানে –আড্ডায় মাতিয়ে দিয়েছিলেন প্রায় পঁচাশি হাজার শ্রোতাকে। মানুষের ভালবাসার আবেগে প্লাবিত হয়ে সিধু এবং পটা জানিয়েছিলেন, দু’জনের আলাদা আলাদা ব্যান্ড থাকলেও, সঙ্গীতের স্বার্থে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করতে পারেন। কোনও প্রোজেক্ট তাঁদের ভাল লাগলেই হবে। আনন্দলোক সেই আনন্দসফরের সঙ্গী ছিল। সেই লাইভ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আমাদের কাছে বহু অনুরোধ এসেছে। যাতে সিধু-পটা একসঙ্গে কোনও ব্যান্ডে কাজ করেন। কেন তাঁরা এক হচ্ছেন না, এ প্রশ্নও শুনতে হয়েছে বহুবার। তবে এটা মানতেই হবে, আনন্দলোক সেদিন একটা দরজা খুলে দিয়েছিল। গানে গানে বহু দূরত্ব ঘুচেছিল সেদিন। আর তার রেশ ধরে অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন, অসাধ্যসাধন করা যায় তা হলে। তার পরে সিধু-পটা একসঙ্গে বেশ কিছু কাজ করেছেন। ‘উমা’ ছবিতে তাঁদের গাওয়া ‘এসো বন্ধু’ প্রশংসিত হয়েছে। একসঙ্গে বিভিন্ন চ্যানেলে দেখাও গিয়েছে তাঁদের। সেই ফ্যাক্টরগুলিকেই কি তা হলে অস্বীকার করতে পারলেন না সিধু এবং পটা? কারণ শোনা যাচ্ছে, ‘ক্যাকটাস’ এবং ‘পটা ও মরুদ্যান’ ব্যান্ড দু’টি অক্ষত থাকলেও, সিধু এবং পটা নাকি ঠিক করেছেন, এবার একসঙ্গে ব্যান্ডে কাজ করবেন। হ্যাঁ, সিধু এটা বলেছিলেন বটে যে, তাঁর যে-কোনও প্রোজেক্টের জন্য পটাকে তিনি ডেকে নিতে পারেন। কিন্তু খবর, কোনও প্রোজেক্ট নয়… পুরোদস্তুর ব্যান্ডই নাকি তৈরি করছেন তাঁরা। ‘ক্যাকটাস’, ‘পটা ও মরুদ্যান’-এর কাজ সমানতালে চলতে থাকবে। কিন্তু পাশাপাশি সিধু-পটাও নাকি নিজেদের একটা লাইনআপ তৈরি হবে! এমনটা হলে যে, বাংলার ব্যান্ড সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ নতুন অক্সিজেন পাবেন, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে বিষয়টি পুরোটাই খবর। এই বিষয়ে সিধু বা পটা অফিশিয়ালি কিছুই জানাননি। দেখা যাক… যা-ই হোক, সর্বপ্রথম জানতে পারবেন আনন্দলোক-এই।

dev rukmini homepage

দুষ্টু-মিষ্টি-খুনসুটি!

কিছুদিন আগে উজ়বেকিস্তানে শুটিং করতে গিয়েছিল টিম ‘হইচই আনলিমিটেড’…

দুষ্টু-মিষ্টি-খুনসুটি!

কিছুদিন আগে উজ়বেকিস্তানে শুটিং করতে গিয়েছিল টিম ‘হইচই আনলিমিটেড’। তারা যে সেখানে দারুণ মজায় ছিল তা তো টুইটার আর ইনস্টাগ্র্যামে দলের সদস্যদের পোস্ট দেখলেই বোঝা যায়।