Author Archives: admin

uran-small

উড়ান

বিষয়টি ভালই ভেবেছিলেন পরিচালক, কিন্তু প্রকাশে অপরিণত মনোভাব দেখালেন যে! পৌলমী (শ্রাবন্তী) বাড়ির একমাত্র রোজগেরে। কিন্তু কোনও সম্মান বা ভালবাসা সে পায় না।তার স্বপ্ন গান নিয়ে কিছু করার, গায়িকা হওয়ার।

uran-poster

উড়ান

বিষয়টি ভালই ভেবেছিলেন পরিচালক, কিন্তু প্রকাশে অপরিণত মনোভাব দেখালেন যে! পৌলমী (শ্রাবন্তী) বাড়ির একমাত্র রোজগেরে। কিন্তু কোনও সম্মান বা ভালবাসা সে পায় না।তার স্বপ্ন গান নিয়ে কিছু করার, গায়িকা হওয়ার। কিন্তু সুযোগ পায় না।দুঃসহ এই পরিস্থিতিতে শিক্ষিকার চাকরি পায় সে। চলে আসে রাজারপুরে।

পরিনত চিন্তার অভাব

উড়ান

uran-still

পরিচালনা: ত্রিদিব রমন
অভিনয়: শ্রাবন্তী, সাহেব ভট্টাচার্য

বিষয়টি ভালই ভেবেছিলেন পরিচালক, কিন্তু প্রকাশে অপরিণত মনোভাব দেখালেন যে! পৌলমী (শ্রাবন্তী) বাড়ির একমাত্র রোজগেরে। কিন্তু কোনও সম্মান বা ভালবাসা সে পায় না।তার স্বপ্ন গান নিয়ে কিছু করার, গায়িকা হওয়ার। কিন্তু সুযোগ পায় না।দুঃসহ এই পরিস্থিতিতে শিক্ষিকার চাকরি পায় সে। চলে আসে রাজারপুরে। কিন্তু এখানেও তাকে তাড়া করে বাড়ির খরচ। তাই ইস্কুলের গান শেখানোর পাশাপাশি রাজারপুরে একটি রিসর্টে গান গাইতে শুরু করে। সেই রিসর্টের মালিক রমিত (সাহেব)। এর আগে একটি স্টোরে তাঁদের আলাপ হয়েছিল। রমিত পৌলমীর প্রেমে পড়ে। পৌলমীও দুর্বল রমিতের প্রতি, কিন্তু সে স্বপ্ন দেখে জীবনে কিছু করার, তাই এখনই সম্পর্কের বাঁধনে নিজেকে বাঁধতে চায় না। এরমধ্যেই এক বিধায়কের রোষে পড়ে পৌলমী। তাকে চলে যেতে হয় মধুসূদনপুরে। সেখানে গিয়ে আর্সেনিক আক্রান্ত মানুষদের দেখে সে। শুরু হয় আর্সেনিকের বিরুদ্ধে লড়াই। অভিনয়ে শ্রাবন্তী আর সাহেব ভাল।একটি চরিত্রে সুব্রত দত্তকে দেখা যায়। তাঁর অভিনয়ে অতি নাটকীয়তা আছে। তবে এই দোষে একা সুব্রতই নয়, সকলেই দুষ্ট।পার্শ্বচরিত্ররা প্রায় সকলেই প্রাণপণ অভিনয় করেছেন এবং সেখানেই ছবিটি বিরক্তিকর হয়ে গিয়েছে। ঠিক তেমনিই বিরক্তিকর লাগে যখন ছবির প্রথমার্ধ কেটে গেলেও ছবির আসল বিষয়ে প্রবেশ করতে পারেন না পরিচালক।মূল বিষয়ের চেয়ে পৌলমীর কষ্ট-দুঃখ, প্রেম বড় হয়ে ওঠে। আর কয়েক মিনিট অন্তর অন্তর গানও বড্ড মাথা ধরায়। ঠিক তেমনই অবাক লাগে রাজারপুরের মতো জায়গায় রায় বাড়িটি দেখলে। দুর্বল চিত্রনাট্য, ততোধিক দুর্বল শিল্প নির্দেশনা ছবিটিকে ভাল হতে দেয়নি।আর গানও মনে দাগ কাটে না।

পুনশ্চ: সংলাপ বলার সময়ে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের একটু সচেতন হওয়া প্রয়োজন ছিল।

নতুন রূপে ‘মুক্তি’ পৃথিবীর


মাসখানেক আগে যখন বাংলা ব্যান্ড ‘পৃথিবী’ ছাড়ার কথা বলেছিলেন তিনি, তখন মনে এবং মুখে ছিল গভীর যন্ত্রণা। হাজার হোক, নাড়ির টান ছিঁড়ে দিতে হয়েছিল সেদিন। কিন্তু তিনি যে ফিরে আসবেনই, সেই শপথও নিয়েছিলেন মনে-মনে। হাজার হোক, ব্যান্ডটা যে তাঁর নিজের সৃষ্টি, নিজের মস্তিস্কপ্রসূত…তাকে ছেড়ে যাবেন, সেটা তো সম্ভব নয়। তাই ফিরলেন কৌশিক চক্রবর্তী। ফিরলেন নতুন রূপে ‘পৃথিবী’কে নিয়ে। এই ফিরে আসা নিয়ে শিল্পীর বক্তব্য হল, ‘‘শেষ একটা মাস আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল। আমি কোনোদিন হারতে শিখিনি। কিন্তু কিছু ঘটনায় নিজের কাছে হেরে গিয়ে আমি ‘পৃথিবী’ থেকে বিরতি নিয়েছিলাম। যদিও ফিরে আমি আসতামই। ওটাই আমার অভ্যাস! হাজার হাজার ভক্তদের ভালোবাসা, কান্না, অভিমান আমাকে আবার ফিরিয়ে এনেছে … নতুন প্রজন্মের উপর ভরসা রেখেই নতুনদের নিয়ে আমি,আমরা ফিরে এলাম…’’ নতুনভাবে শুরু করে আরও অনেক গান ভক্তদের উপহার দিতে চলেছে ‘পৃথিবী’, সেই শপথ তো আছেই। তার কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। আর কিছু দিন পরেই মুক্তি পাচ্ছে ‘পৃথিবী’র নতুন গান ‘মুক্তি’। এই গান নিয়ে কৌশিক বললেন, ‘‘মানুষ যখন চারিদিক থেকে আটকা পড়ে যায়, তার বৌদ্ধিক, শারিরীক, পারিপার্শ্বিক অবস্থা সীমাবদ্ধতার সৃষ্টি করে, তখন সে সেখান থেকে সেই বন্ধন ছিড়ে বেরিয়ে মুক্তি চায়। হয়তো ‘জন্মান্তর’ ঘটে সেই ‘মুক্তি’র পর… ‘পৃথিবী’ এই গানে সেই মুক্তির কথাই বলে। যাই হোক, কিছুদিন আগেই ‘মুক্তি’র মিউজ়িক ভিডিয়োর শুটিং শেষ করল ‘পৃথিবী’। সেটি পরিচালনা করেছেন শমীক রায়চৌধুরী। আর কয়েকদিনের মধ্যেই দেখতে পাবেন সেই ভিডিয়ো।

আপাতত আমরা পৃথিবীর নতুন লাইনআপের (অন স্টেজ) দিকে চোখ রাখি:

কৌশিক চক্রবর্তী: কন্ঠ, গীতিকার, সুরকার
অরুণাংশু ডাম্পি বাগচী: গিটার
দীপ ঘোষ: বেস
অনিরুদ্ধ মণ্ডল: ড্রামস
দীপায়ন দীপ মৈত্র: কি বোর্ড
দেবাংশু ভট্টাচার্য: গিটার

সায়ক বসু

chhapak-small

ছপাক

‘ছপাক’ শব্দটা হিন্দি ভাষায় জল বা রং ছেটানোর সঙ্গে কী সুন্দর মজার ছলে জুড়ে যায়। বিশেষত, গুলজ়ারের লেখা গানে তো এই শব্দটা বহুলব্যবহৃত।

chhapak-poster

ছপাক

‘ছপাক’ শব্দটা হিন্দি ভাষায় জল বা রং ছেটানোর সঙ্গে কী সুন্দর মজার ছলে জুড়ে যায়। বিশেষত, গুলজ়ারের লেখা গানে তো এই শব্দটা বহুলব্যবহৃত। কিন্তু তাঁরই মেয়ে, মেঘনা গুলজ়ার পরিচালিত ‘ছপাক’ ছবিটি দেখার পর বোধহয় ‘মজার ছলে’ এই শব্দটি ব্যবহার করতে জিভ জড়িয়ে আসবে।

আতঙ্ক এবং আশার সহাবস্থান

ছপাক

chhapak-still

পরিচালনা: মেঘনা গুলজ়ার
অভিনয়: দীপিকা পাড়ুকোন, বিক্রান্ত মাসে

‘ছপাক’ শব্দটা হিন্দি ভাষায় জল বা রং ছেটানোর সঙ্গে কী সুন্দর মজার ছলে জুড়ে যায়। বিশেষত, গুলজ়ারের লেখা গানে তো এই শব্দটা বহুলব্যবহৃত। কিন্তু তাঁরই মেয়ে, মেঘনা গুলজ়ার পরিচালিত ‘ছপাক’ ছবিটি দেখার পর বোধহয় ‘মজার ছলে’ এই শব্দটি ব্যবহার করতে জিভ জড়িয়ে আসবে। অ্যাসিড অ্যাটাক নিয়ে কতটা তাপোত্তাপহীন ভারতীয় আইনি ব্যবস্থা, অ্যাসিডের বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও এখনও বিনা প্রশ্নে বিক্রি হয় অ্যাসিড… অ্যাসিড অ্যাটাক বেড়েই চলেছে প্রতি বছর! কত তুচ্ছ কারণে, কত সহজে এবং ‘সস্তায়’ এক বোতল অ্যাসিড ছিটিয়ে একটি মেয়েকে ‘শিক্ষা’ দেয় আমাদের সমাজ, ‘ছপাক’-এ খুব সরলভাবে দেখানো হয়েছে। জটিলতা নেই এই ছবিতে। কোনও আবডাল ছাড়া সরলভাবে কঠিন সত্য দেখালে তা সোজা মনে আঘাত করে, এই ছবিও তা-ই করেছে।
পারিবারিক বন্ধু বশির খানের প্রেমের প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়ার অপরাধে ১৯ বছরের মালতী অগরওয়ালের মুখে অ্যাসিড ছোড়ে বশিরের বোন পরভীন! ধন্যবাদ পরিচালককে, হিংসার যে কোনও ধর্ম এবং লিঙ্গ হয় না, সেটা দেখানোর জন্য। মালতী ভাগ্যবতী, তার পিছনে দাঁড়ানোর মতো উচ্চবিত্ত শিক্ষিত সমাজের সদস্যরা ছিল (যে পরিবারের বাবুর্চি ছিলেন মালতীর বাবা)। ফলে ভাল হাসপাতালে সাতটি সার্জারি করে তৈরি করা গিয়েছিল তার কান, নাক, চোখ। তাই সে পাশে দাঁড়ায় সেই অ্যাসিড সারভাইভারদের, যারা একটা সার্জারির টাকাও জোগাড় করে উঠতে পারে না। ২০০৫ থেকে যে লড়াই সে লড়ছিল, অ্যাসিড অ্যাটাককে ইন্ডিয়ান পিনাল কোডে একটি আলাদা সেকশনের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এবং অ্যাসিড বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের জন্য, তা আইনত স্বীকৃতি পেয়েছে ঠিকই, তবে তাতে মহিলাদের উপর অ্যাসিড হামলা কমেনি। কী করে কমবে, সেই উত্তরও অজানা। এবং সেটিই আতঙ্কের কারণ।

মালতীর ভূমিকায় দীপিকা পাড়ুকোন অসাধারণ। সার্জারির আগে নিজের অ্যাসিডে ঝলসানো মুখ দেখে তাঁর আর্ত চিৎকার, অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দেয়। খুবই ভাল লাগে আলোক দ্বিবেদীর চরিত্রটি। সে একজন প্যাশনেট এনজিও কর্মী, যে কিনা বছরের পর বছর অ্যাসিড সারভাইভারদের জন্য লড়াই করছে, খিটখিটে, আইনি শিথিলতা দেখে-দেখে নৈরাশ্যবাদী। আলোকের চরিত্রে বিক্রান্ত মাসে আলাদা প্রশংসার দাবিদার। দীপিকার যোগ্য ফয়েল হিসেবে ছবির হাল ধরেছেন তিনি। প্রতিটি পার্শ্বচরিত্র তাদের কম-বেশি ক্ষুদ্র পরিসরে মনে দাগ কেটে যেতে বাধ্য। তবে এরকম একটি ছবিতে সিরিয়াস দৃশ্যে ব্যাকগ্রাউন্ডে এত গান কেন? আবহ সঙ্গীত যেখানে এত ভাল, সেখানে গান যেন সুর কেটে দেয়। এরকম ছবিতে চাবকে জ্ঞান দেওয়ার প্রবণতা থাকে। পরিচালক ক্ষুব সন্তর্পনে সেই রাস্তা থেকে চিত্রনাট্যকে সরিয়ে এনেছেন। আলোয় আলোয় লক্ষ্মীর লড়াইয়ের সাফল্য দেখিয়ে ছবিটি শেষ না করে তিনি অ্যাসিডের জ্বালাতেই শেষ করেছেন ছবিটি। অর্থাৎ দিল্লি এখনও দূর অস্ত। শেষ অ্যাসিড অ্যাটাক হয়েছে ডিসেম্বরের ২৪ তারিখই!

রাজপরিবারে ভাঙন?

এ যেন একেবারে বিনা মেঘে বজ্রপাত! মন খারাপ সক্কলেরই। কারণ রাজপুত্র আর রাজকন্যে ঘোষণা করেছেন, তাঁরা নাকি আর রাজপরিবারের মধ্যে থাকবেনই না!

রাজপরিবারে ভাঙন?

এ যেন একেবারে বিনা মেঘে বজ্রপাত! মন খারাপ সক্কলেরই। কারণ রাজপুত্র আর রাজকন্যে ঘোষণা করেছেন, তাঁরা নাকি আর রাজপরিবারের মধ্যে থাকবেনই না! কথা হচ্ছে ব্রিটেনের প্রিন্স হ্যারি আর মেগান মার্কলের। এমনিতেই রাজপরিবারের নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পুরনো প্রজন্মের মতের অমিল লেগেই থাকে। চলতে থাকে টুকটাক ঝামেলাও। এই যেমন, হ্যারি-মেগানের ছেলে আর্চির জন্মের কথাই ভাবুন না কেন! রাজপরিবারের নিয়ম ‘অমান্য’ করেই মেগান ঘোষণা করেছিলেন, আর্চি ‘জেন্ডার নিউট্রাল’ ভাবেই বড় হবে! এছাড়া রাজপরিবারের সদস্যদের নাকি প্রাইভেসি থাকে না মোটে, সে নিয়ে নানা ঝামেলা তো ছিলই!
এবার হ্যারি আর মেগান ঘোষণা করেছেন, রাজপরিবারের ‘সিনিয়র’ সদস্য হিসেবে আর থাকবেন না তাঁরা। বরং রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে গিয়ে ‘অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন’ হয়ে উঠবেন। হ্যারি-মেগানের ‘অফিশিয়াল’ বক্তব্য অনুযায়ী, অনেক ভেবেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, নতুন প্রজন্ম হিসেবে রাজপরিবারের মধ্যে নতুন চিন্তাভাবনা ঢোকানোর দায় যে তাঁদেরই! আপাতত রাজপরিবারের বাইরে থেকেই তাঁরা রানি এলিজ়াবেথকে সাপোর্ট করবেন।
তবে জানা গিয়েছে, হ্যারি-মেগানের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবেই তাঁদের নিজস্ব। এ নিয়ে কোনও আলোচনাও কারওর সঙ্গে করেননি তাঁরা। তবে অতর্কিত এই ঘোষণায় মন খারাপ রাজপরিবারের সদস্যদের।

prince harry | meghan markle | queen elizabeth | british royals

golden_globes_2020-েসোতত

কারা পেলেন গোল্ডেন গ্লোব?

প্রতিবারের মতো এবারও বছরের শুরুতেই হয়ে গেল ৭৭ তম ‘গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড’। পুরস্কার ঝুলিতে এল কোন-কোন ছবির? সেরার পুরস্কারই বা পেলেন কোন তারকারা? তার হিসেবনিকেশ রইল আনন্দলোকে…