magazine_cover_12_august_18.jpg

Tolly News

‘শর্ট কাট’-এ বাজিমাত!

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.........

‘আনন্দলোক শর্ট কাট’-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে বসেছিল চাঁদের হাট। ফেস্টিভ্যালের বিচারকের আসন আলো করেছিলেন পাওলি দাম, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, অরুণ রায়, ঈশা দত্ত-রা। তাঁরা তো ছিলেনই, ছিলেন সঞ্চালক হিসেবে প্রিয়ঙ্কা সরকার, দর্শকাসনে ছিলেন সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়, ঊষসী চক্রবর্তী, ওম প্রমুখ। সশরীরে থাকতে না পারলেও, ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে ‘উপস্থিত’ ছিলেন কোয়েল মল্লিক, আবির চট্টোপাধ্যায়, অনুপম রায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়, অরিজিৎ দত্ত-রা। শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালটির জন্য এসেছিল অনেক এন্ট্রি, যার মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয়েছিল ১০টি ছবিকে। এর মধ্যে সেরা পাঁচটি ছবির স্ক্রিনিং হয় প্রিয়া সিনেমায়। বিচারকদের বিচারে, সৌরভ পালের ‘সাউন্ড অফ সাইলেন্স’ পায় প্রথম স্থান। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা পুরস্কার পান বর্ষীয়ান অভিনেতা হরিদাস চট্টোপাধ্যায়। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইন্দ্রনীল সামন্তর ‘পোস্ট কার্ড’। তৃতীয় হয় তনুময় বিশ্বাসের ‘দ্য ডায়েরি, ডোন্ট ওপেন ইট’। এ ছবির অভিনেত্রী অনিন্দিতা নস্কর পান সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকার করে সুমন্ত চক্রবর্তীর ‘অভ্যেস’ এবং সুকৃতি সাহার ‘ক্ষীর’ (যথাক্রমে)। বড় পরদায় এভাবে ‘ছোট’ ছবি প্রায় কখওনই দেখানো হয় না। সহজ-সরল-গল্পকথাগুলি শেষ হয়েও না শেষ হওয়ার রেশ রেখে গেল, আবেদন রেখে গেল, পরের বছর ‘শর্ট কাট’-এর আগাম সাফল্যের।

Anandalok Short Cut